সাতক্ষীরা-১ আসনে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত 

সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কপোতাক্ষ নদীর ওপর একটি সেতু, উন্নত রাস্তাঘাট, স্কুল ও কলেজ। আমি যখন প্রথম নির্বাচনে অংশ নিই, তখন পায়ে হেঁটে ও গরুর গাড়িতে চলাচল করতে হতো। তখন থেকেই জনগণের দাবিগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, এবার নির্বাচিত হলে কপোতাক্ষ নদে কানাইদিয়া–কপিলমুনি সেতু নির্মাণসহ রাস্তাঘাট, স্কুল ও কলেজের উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর ফুটবল মাঠে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। হাবিব বলেন, আমার কাছে কোনো মিডিয়ার প্রয়োজন নেই। আমি যখন এমপি ছিলাম, তখন দিনরাত মানুষের জন্য কাজ করেছি। একদিনেই ৩৭টি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। সেখানে দল-মত দেখিনি। এমনকি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্ত করেছি। আমার কাছে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ সবাই সমান। আমি অভয় দিচ্ছি, আমার দ্বারা কোনো হিন্দু পরিবারের কোনো ক্ষতি হবে না। তিনি আরও বলেন,

সাতক্ষীরা-১ আসনে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত 

সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেছেন, এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল কপোতাক্ষ নদীর ওপর একটি সেতু, উন্নত রাস্তাঘাট, স্কুল ও কলেজ। আমি যখন প্রথম নির্বাচনে অংশ নিই, তখন পায়ে হেঁটে ও গরুর গাড়িতে চলাচল করতে হতো। তখন থেকেই জনগণের দাবিগুলো বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, এবার নির্বাচিত হলে কপোতাক্ষ নদে কানাইদিয়া–কপিলমুনি সেতু নির্মাণসহ রাস্তাঘাট, স্কুল ও কলেজের উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের হরিহরনগর ফুটবল মাঠে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাবিব বলেন, আমার কাছে কোনো মিডিয়ার প্রয়োজন নেই। আমি যখন এমপি ছিলাম, তখন দিনরাত মানুষের জন্য কাজ করেছি। একদিনেই ৩৭টি স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছি। সেখানে দল-মত দেখিনি। এমনকি আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্ত করেছি। আমার কাছে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ সবাই সমান। আমি অভয় দিচ্ছি, আমার দ্বারা কোনো হিন্দু পরিবারের কোনো ক্ষতি হবে না।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে কৃষকদের ভাতা ও প্রণোদনা নিশ্চিত করা হবে। এসময় তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

খেশরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শেখ সফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যাপক মোশারফ হোসেন, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু, খেশরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম লিয়াকত হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গাজী গফ্ফার এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মীর্জা আতিয়ার রহমানসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে শত শত নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, তালা ও কলারোয়ার সার্বিক উন্নয়নে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কোনো বিকল্প নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow