‘সাতক্ষীরায় প্রতিদিন ১ ইউনিট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বছরে বাঁচতে পারে ৩০৪ কোটি টাকা’
সাতক্ষীরার ৬ লাখ ৫০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রতিদিন মাত্র ১ ইউনিট করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে বছরে প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে জানিয়েছে জেলা বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়ক ব্যবস্থাপনা কমিটি। রোববার (২১ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়ক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। সভায় জানানো হয়, সরকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১৩ টাকা ৯ পয়সা ব্যয়ে ক্রয় করলেও আবাসিক গ্রাহকদের কাছে ভর্তুকি দিয়ে গড়ে প্রায় ৪ টাকা দরে সরবরাহ করছে। ফলে বিদ্যুতের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। কমিটির সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মুহা. আজিজুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। বিশেষ করে ইনভার্টার প্রযুক্তিসম্পন্ন এসি ও ফ্রিজ ব্যবহারে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ কম খরচ হয়। সভায় আরও জানানো হয়, এলইডি বাল্ব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারের মাধ্যমেও বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে সাধারণ গ্রাহকদের সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্র
সাতক্ষীরার ৬ লাখ ৫০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক প্রতিদিন মাত্র ১ ইউনিট করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে বছরে প্রায় ৩০৪ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে জানিয়েছে জেলা বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়ক ব্যবস্থাপনা কমিটি।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়ক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।
সভায় জানানো হয়, সরকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১৩ টাকা ৯ পয়সা ব্যয়ে ক্রয় করলেও আবাসিক গ্রাহকদের কাছে ভর্তুকি দিয়ে গড়ে প্রায় ৪ টাকা দরে সরবরাহ করছে। ফলে বিদ্যুতের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কমিটির সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মুহা. আজিজুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। বিশেষ করে ইনভার্টার প্রযুক্তিসম্পন্ন এসি ও ফ্রিজ ব্যবহারে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ কম খরচ হয়।
সভায় আরও জানানো হয়, এলইডি বাল্ব ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারের মাধ্যমেও বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব। এ বিষয়ে সাধারণ গ্রাহকদের সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী সোয়াইব হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আলমগীর কবির, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বলেন, অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিহার করতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে একদিকে ব্যক্তি পর্যায়ে খরচ কমবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের ভর্তুকির চাপও হ্রাস পাবে। তিনি বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।
What's Your Reaction?