সাদিক অ্যাগ্রোর ইমরানের হাইকোর্টে জামিন
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় ছাগল–কাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তার জামিন বিষয়ে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
আদালতে ইমরানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ ছাগল কাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজধানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি থেকে বলা হয়, ১৩৩ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ইমরানের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় (প্রাথমিক দর) ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন তৎকালীন এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত। এরপর আলোচনায় আসে সাদিক অ্যাগ্রো খামার। বেশি দামে গরু বিক্রি করে
মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় ছাগল–কাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) তার জামিন বিষয়ে রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।
আদালতে ইমরানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আলামিন।
এর আগে, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ ছাগল কাণ্ডে আলোচিত সাদিক অ্যাগ্রোর চেয়ারম্যান ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। রাজধানী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি থেকে বলা হয়, ১৩৩ কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা মামলায় সাদিক অ্যাগ্রোর মালিক ইমরান হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ইমরানের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকায় (প্রাথমিক দর) ‘উচ্চবংশীয়’ ছাগল কেনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হন তৎকালীন এনবিআর সদস্য মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ওরফে ইফাত। এরপর আলোচনায় আসে সাদিক অ্যাগ্রো খামার। বেশি দামে গরু বিক্রি করে আলোচিত ছিল সাদিক অ্যাগ্রো। দেশে নিষিদ্ধ ব্রাহমা জাতের ১৮টি গরু আমদানিও করেছিল সাদিক অ্যাগ্রো। কাস্টমস বিভাগ বিমানবন্দরে সেই গরু জব্দ করে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অবশ্য কৌশলে সেই গরু সাদিক অ্যাগ্রোকেই দিয়েছিল।