সাফল্যের শতভাগ ক্রেডিট অভিভাবকদেরই দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
এসএসসির ফল প্রকাশ হলো আজ। যারা এবার ভালো ফল করেছেন তাদের অনেকেই তাদের এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মা আর শিক্ষকদের অবদানের কথা তুলে ধরছেন। সাফল্যের শতভাগ ক্রেডিট তারা অভিভাবকদেরই দিতে চান। রোববার (১০ আগস্ট) সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ভালো ফল অর্জন করা শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত। সঙ্গে তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরাও আনন্দ উদযাপন করছেন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে। তাদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের অবদানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থী সাইবা মেহরিন বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি সফল হওয়ার জন্য এবং সফল হয়েছি ৷ আমার জিপিএ-৫ পাওয়ার পেছনে আব্বু-আম্মু, শিক্ষকদের অবদান অনেক ৷ সবার সাপোর্টের কারণে আজ ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছি।’ আরেক শিক্ষার্থী মেহনতা আফরিন বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে যে আমি প্রত্যাশিত ফল পেয়েছি। এবারের প্রশ্ন অতটা সহজ ছিল না। সব মিলিয়ে আমার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল এবং আমি সেই চ্যালেঞ্জ পার করতে পেরেছি।’ অভিভাবক রওনক আবিদ বলেন, ‘প্রথমে যখন দেখলাম সারাদেশের রেজাল্ট একটু খারাপ। তখন টেনশনে পড়ে গেছিলাম।পরে দেখলাম আমার মেয়ে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এখন একটু দুশ্চিন
এসএসসির ফল প্রকাশ হলো আজ। যারা এবার ভালো ফল করেছেন তাদের অনেকেই তাদের এই সাফল্যের পেছনে বাবা-মা আর শিক্ষকদের অবদানের কথা তুলে ধরছেন। সাফল্যের শতভাগ ক্রেডিট তারা অভিভাবকদেরই দিতে চান।
রোববার (১০ আগস্ট) সকালে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, ভালো ফল অর্জন করা শিক্ষার্থীরা বেশ উচ্ছ্বসিত। সঙ্গে তাদের অভিভাবক ও শিক্ষকরাও আনন্দ উদযাপন করছেন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।
তাদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের অবদানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থী সাইবা মেহরিন বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি সফল হওয়ার জন্য এবং সফল হয়েছি ৷ আমার জিপিএ-৫ পাওয়ার পেছনে আব্বু-আম্মু, শিক্ষকদের অবদান অনেক ৷ সবার সাপোর্টের কারণে আজ ভালো রেজাল্ট করতে পেরেছি।’
আরেক শিক্ষার্থী মেহনতা আফরিন বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে যে আমি প্রত্যাশিত ফল পেয়েছি। এবারের প্রশ্ন অতটা সহজ ছিল না। সব মিলিয়ে আমার কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল এবং আমি সেই চ্যালেঞ্জ পার করতে পেরেছি।’
অভিভাবক রওনক আবিদ বলেন, ‘প্রথমে যখন দেখলাম সারাদেশের রেজাল্ট একটু খারাপ। তখন টেনশনে পড়ে গেছিলাম।পরে দেখলাম আমার মেয়ে সব বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এখন একটু দুশ্চিন্তামুক্ত মনে হচ্ছে।’
আরেক অভিভাবক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি মেয়ে যেন সবসময় পড়াশোনার ট্র্যাকে থাকে। ওর নিজের পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিকতা, বাসায় ওর আম্মুর টেক কেয়ার সব মিলিয়ে এই ভালো ফলাফল অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
এনএস/এসএনআর
What's Your Reaction?