সাবেক ইংল্যান্ড তারকাকে ‘মূর্খ’ বললেন রোমেরো

এবারের বিশ্বকাপে অম্লমধুর সময় কেটেছে আর্জেন্টিনার দুই সেন্টারব্যাক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজের। তারা গোল হজম করেছেন, আবার ঠেকিয়েছেনও। দুজন গোল করে দলকে আবার ম্যাচও জিতিয়েছেন। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তাদের নিয়ে কড়া সমালোচনাই করেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা গ্যারি নেভিল। মার্তিনেজ-রোমেরো জুটি নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের দেখে এই মনে হয় অবিশ্বাস্য, আবার একটু পরই হাস্যকর লাগে।’ ইংল্যান্ডের সাবেক এই ফুলব্যাক তখন বলেছিলেন, ইংল্যান্ডের এই জুটির বিপক্ষে অন্তত দুটি গোল করা উচিত। তবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড দুই গোল তো করতে পারেইনি, উল্টো ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। ম্যাচের পর গ্যারি নেভিলের সেই মন্তব্যের কড়া একটা জবাবই দিয়েছেন রোমেরো। টটেনহামে খেলা আর্জেন্টাইন সেন্টারব্যাক ম্যাচের পর ডি স্পোর্টসকে বলেছেন, ‘আশা করি, আমি যখন অবসর নেব, তখন নেভিলের মতো এতটা মূর্খ হবো না। আমি কোনো খেলোয়াড় বা অন্য কারও সমালোচনা করব না। সবাই নিজের সেরাটা দিতে মাঠে নামে। এরপর তা ভালো বা খারাপ হতে পারে। আমরা আবার ফাইনালে উঠতে পেরে ও ইতিহাস তৈরি করতে পেরে আনন্দিত।’ নেভিলের কথাট

সাবেক ইংল্যান্ড তারকাকে ‘মূর্খ’ বললেন রোমেরো
এবারের বিশ্বকাপে অম্লমধুর সময় কেটেছে আর্জেন্টিনার দুই সেন্টারব্যাক ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজের। তারা গোল হজম করেছেন, আবার ঠেকিয়েছেনও। দুজন গোল করে দলকে আবার ম্যাচও জিতিয়েছেন। তবে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তাদের নিয়ে কড়া সমালোচনাই করেছিলেন ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা গ্যারি নেভিল। মার্তিনেজ-রোমেরো জুটি নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘তাদের দেখে এই মনে হয় অবিশ্বাস্য, আবার একটু পরই হাস্যকর লাগে।’ ইংল্যান্ডের সাবেক এই ফুলব্যাক তখন বলেছিলেন, ইংল্যান্ডের এই জুটির বিপক্ষে অন্তত দুটি গোল করা উচিত। তবে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড দুই গোল তো করতে পারেইনি, উল্টো ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। ম্যাচের পর গ্যারি নেভিলের সেই মন্তব্যের কড়া একটা জবাবই দিয়েছেন রোমেরো। টটেনহামে খেলা আর্জেন্টাইন সেন্টারব্যাক ম্যাচের পর ডি স্পোর্টসকে বলেছেন, ‘আশা করি, আমি যখন অবসর নেব, তখন নেভিলের মতো এতটা মূর্খ হবো না। আমি কোনো খেলোয়াড় বা অন্য কারও সমালোচনা করব না। সবাই নিজের সেরাটা দিতে মাঠে নামে। এরপর তা ভালো বা খারাপ হতে পারে। আমরা আবার ফাইনালে উঠতে পেরে ও ইতিহাস তৈরি করতে পেরে আনন্দিত।’ নেভিলের কথাটা যে তাদের ভালোই গায়ে লেগেছিল, তাও লুকাননি তিনি, ‘আমাদের বেশ গায়ে লেগেছিল, কারণ (ম্যাচের আগে) বড্ড বেশি কথা হচ্ছিল। ইংল্যান্ডে খেলা শুরুর আগেই লোকে বড্ড বেশি কথা বলে। তাই আমরা তাদের আমাদের শুভেচ্ছা জানাই। তারা এখন নিশ্চয়ই খুব খুশি!’ তার এই সাক্ষাৎকারের সময় পাশেই ছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। সতীর্থের মতো তিনিও বিরক্তিটা লুকাননি। তবে রোমেরোর মতো এতটা ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। মার্তিনেজ বলেছেন, ‘আমরা এতে অভ্যস্ত। তারা আমাদের নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে, আমরা আমাদের কথা মাঠেই বলি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow