সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে ২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে ছাত্র-জনতার ওপর চালানো নজিরবিহীন গণহত্যায় পরোক্ষ মদদদাতা ও নীরব ভূমিকা পালনকারী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট। এজন্য তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।
শনিবার (২৫ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী সমমনাজোটের মুখপাত্র ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দানবীয় হাসিনার অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হলো। কিন্তু দেশে ২৪-এর জুলাইয়ে যে হাজার মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, সেখানে সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন নীরব ভূমিকা পালন করে মূলত সমর্থন দিয়েছেন। ওই গণহত্যার সমর্থনের জন্য তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’
জোটের নেতৃবৃন্দ দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, একজন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দেশের জনগণের জীবন রক্ষা না করে স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে কাজ করা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও দেশের প্রচলিত আইনের চরম লঙ্ঘন। হাজারো প্রাণহানি ও রক্তপাতের নীরব সমর্থক হিসেবে তাকে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট স্পষ্ট করে জানাতে চায়, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপোস করা হবে না। ফ্যাসিবাদের সব অবশিষ্টাংশ এবং তাদের সহযোগীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দেশের ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে সমমনা জোট তাদের আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত রাখবে।
বিবৃতি দেওয়া নেতৃবৃন্দরা হলেন, সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. নুরুল ইসলাম, গনদলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, এনপিপির চেয়ারম্যান মোস্তফিজুর রহমান মোস্তফা, বাংলাদেশ ন্যাপের চেয়ারম্যান এম এন শাওন সাদেকী , মুসলিম লীগের সভাপতি ব্যারিস্টার নাসিম খান, এনডিপি চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল, জাগপার সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ ডিএল সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, মহাসচিব আবু সৈয়দ, সাইফুল আলম, আবদুল বারিক, সুরাইফুল ইসলাম, জামিল আহম্মেদ, রেজওয়ান মর্তুজা, জহির হোসেন প্রমুখ।