সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর মিরপুরে গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মিরপুরে হত্যা মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছেন আদালত। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল আলীম গত ৯ জুলাই তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৩ জুলাই দিন ধার্য করেন। পরে মামলার মূল নথি আদালতে উপস্থাপন করা না হওয়ায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি এবং ১৫ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। আরও পড়ুন হত্যা মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব জিয়াউলকে গ্রেফতার দেখানোর শুনানি বুধবার মামলার নথি অনুযায়ী, কাফরুল থানায় দায়ের করা এ হত্যা মামলাটি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই

সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর মিরপুরে গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত এ আদেশ দেন।

বিষয়টি ঢাকা মহানগর আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মিরপুরে হত্যা মামলায় সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছেন আদালত।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল আলীম গত ৯ জুলাই তাকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ১৩ জুলাই দিন ধার্য করেন। পরে মামলার মূল নথি আদালতে উপস্থাপন করা না হওয়ায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি এবং ১৫ জুলাই নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, কাফরুল থানায় দায়ের করা এ হত্যা মামলাটি ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুর বিআরটিএ এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অভিযোগে বলা হয়েছে, আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণে মাহবুব হাসান মামুন আহত হন এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এস. এম. জিয়াউল আলম বর্তমানে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর একটি পৃথক মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এ হত্যা মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়।

আবেদনে আরও বলা হয়, তদন্তে প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আন্দোলন দমন এবং হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখনো আদালতের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এমডিএএ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow