সালমানের সঙ্গে ব্রেকআপের পর যা সহ্য করতে হয়েছিল ঐশ্বরিয়াকে
বলিউডের অন্যতম আলোচিত সম্পর্ক ছিল সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেম। ২০০২ সালে সেই সম্পর্কের ব্রেকআপ হলেও দুই দশকের বেশি সময় পরও তা নিয়ে আলোচনা থামেনি। এবার সেই সময়ের একটি ঘটনা সামনে এনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রহ্লাদ কক্কর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রহ্লাদ কক্কর দাবি করেন, সালমানের সঙ্গে ব্রেকআপের চেয়ে বলিউডের আচরণই ঐশ্বরিয়াকে বেশি কষ্ট দিয়েছিল। মডেলিং জীবনের শুরুর দিকে ঐশ্বরিয়ার মেন্টর ছিলেন তিনি। পাশাপাশি একসময় একই আবাসনেও থাকতেন তারা। প্রহ্লাদ বলেন, ব্রেকআপের পর ঐশ্বরিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সে সময় তিনি অভিনেত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তার দাবি, ঐশ্বরিয়ার সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিল, পুরো ইন্ডাস্ট্রি সালমানের পক্ষ নিয়েছিল বলে তিনি মনে করেছিলেন। তার ভাষায়, ‘আমি ওকে বলেছিলাম, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ও বারবার ইন্ডাস্ট্রির কথা বলছিল। ওর মনে হয়েছিল, সবাই ওকে একা করে দিয়েছে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার চেয়ে এই বিষয়টাই ওকে বেশি আঘাত করেছিল।’ প্রহ্লাদের দাবি, ঐশ্বরিয়া নিজেকে অন্যায়ের শিকার মনে করেছিলেন। তার মতে, অভিনেত্রী বিশ্বাস করেছিলেন যে, বলিউড তার সঙ্গে ন্যা
বলিউডের অন্যতম আলোচিত সম্পর্ক ছিল সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেম। ২০০২ সালে সেই সম্পর্কের ব্রেকআপ হলেও দুই দশকের বেশি সময় পরও তা নিয়ে আলোচনা থামেনি। এবার সেই সময়ের একটি ঘটনা সামনে এনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিলেন বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রহ্লাদ কক্কর।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রহ্লাদ কক্কর দাবি করেন, সালমানের সঙ্গে ব্রেকআপের চেয়ে বলিউডের আচরণই ঐশ্বরিয়াকে বেশি কষ্ট দিয়েছিল। মডেলিং জীবনের শুরুর দিকে ঐশ্বরিয়ার মেন্টর ছিলেন তিনি। পাশাপাশি একসময় একই আবাসনেও থাকতেন তারা।
প্রহ্লাদ বলেন, ব্রেকআপের পর ঐশ্বরিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। সে সময় তিনি অভিনেত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। তার দাবি, ঐশ্বরিয়ার সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিল, পুরো ইন্ডাস্ট্রি সালমানের পক্ষ নিয়েছিল বলে তিনি মনে করেছিলেন।
তার ভাষায়, ‘আমি ওকে বলেছিলাম, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ও বারবার ইন্ডাস্ট্রির কথা বলছিল। ওর মনে হয়েছিল, সবাই ওকে একা করে দিয়েছে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার চেয়ে এই বিষয়টাই ওকে বেশি আঘাত করেছিল।’
প্রহ্লাদের দাবি, ঐশ্বরিয়া নিজেকে অন্যায়ের শিকার মনে করেছিলেন। তার মতে, অভিনেত্রী বিশ্বাস করেছিলেন যে, বলিউড তার সঙ্গে ন্যায্য আচরণ করেনি।
তিনি আরও বলেন, ‘ও ব্রেকআপের জন্য ভেঙে পড়েনি। ও কষ্ট পেয়েছিল কারণ সবাই সালমানকে সমর্থন করছিল। অথচ ওর মনে হয়েছিল সত্যটা তার পক্ষেই ছিল। এরপর থেকেই ও ইন্ডাস্ট্রির ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলে।’
যদিও ঐশ্বরিয়া ব্যক্তিগতভাবে এসব বিষয়ে তার সঙ্গে খুব বেশি কথা বলেননি বলে জানান প্রহ্লাদ। তবে একই ভবনে থাকার কারণে সে সময়ের নানা ঘটনার সাক্ষী ছিলেন তিনি।
প্রহ্লাদের ভাষ্য, ‘আমি একই বিল্ডিংয়ে থাকতাম। তাই অনেক কিছুই দেখেছি। সালমান প্রায়ই সেখানে এসে অশান্তি করতেন, এমনকি দেয়ালে মাথাও ঠুকতেন। আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদের আগেই তাদের সম্পর্ক কার্যত শেষ হয়ে গিয়েছিল। তাই সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসাটা ঐশ্বরিয়া ও তার পরিবারের জন্য স্বস্তির ছিল।’
উল্লেখ্য, ২০০২ সালে ব্রেকআপের পর সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া আর কখনো একসঙ্গে কাজ করেননি। পরে ২০০৭ সালে অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া। বর্তমানে মেয়ে আরাধ্যা ও পরিবারকে নিয়েই তার ব্যক্তিগত জীবন।
অন্যদিকে, ২০১২ সালে এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জানিয়েছিলেন, জীবনের সেই অধ্যায় তিনি পেছনে ফেলে এসেছেন এবং এ নিয়ে আর প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না। তবে প্রহ্লাদ কক্করের সাম্প্রতিক মন্তব্যে সেই পুরোনো বিতর্ক আবারও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এমএমএফ
What's Your Reaction?

