সালিশি বৈঠকে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চুরির অভিযোগে সালিশি বৈঠকে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন একজন।
শনিবার (০৪ এপ্রিল) উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বারমাসিয়া খন্দকার পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম- মো. নুরুল আবছার (৪০)। আহত ব্যক্তি হলেন- মো. রাসেল। তারা বারমাসিয়া খন্দকার পাড়ার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ওই এলাকায় নুরুল আবছার ও রাসেলের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে একটি গ্রাম্য সালিশ বসানো হয়। সালিশ চলাকালে তাদের চোর হিসেবে অভিযুক্ত করে স্থানীয়রা বেধড়ক মারধর করে।
মারধরের একপর্যায়ে দুজনই গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নুরুল আবছারকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রাসেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের বেধড়ক পিটুনিতে নুরুল আবছার নিহত ও রাসেল আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রি
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে চুরির অভিযোগে সালিশি বৈঠকে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন একজন।
শনিবার (০৪ এপ্রিল) উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বারমাসিয়া খন্দকার পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম- মো. নুরুল আবছার (৪০)। আহত ব্যক্তি হলেন- মো. রাসেল। তারা বারমাসিয়া খন্দকার পাড়ার বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৫টার দিকে ওই এলাকায় নুরুল আবছার ও রাসেলের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ এনে একটি গ্রাম্য সালিশ বসানো হয়। সালিশ চলাকালে তাদের চোর হিসেবে অভিযুক্ত করে স্থানীয়রা বেধড়ক মারধর করে।
মারধরের একপর্যায়ে দুজনই গুরুতর আহত হয়ে পড়েন। তাদের উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নুরুল আবছারকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত রাসেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয়দের বেধড়ক পিটুনিতে নুরুল আবছার নিহত ও রাসেল আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।