সায়েদাবাদে ‘দুর্ঘটনা’ নয়, পরকীয়ার জেরে খুন হন তাসলিমা
রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় গৃহবধূ তাসলিমা আক্তার (৩৪) সড়ক দুর্ঘটনায় নয়, বরং পরকীয়ার জেরে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। তবে, শুরুতে ঘটনাটি আড়াল করতে স্বজনরা হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনার গল্প বলেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার এসআই আওলাদ হোসেন। আওলাদ হোসেন জানান, দক্ষিণ সায়দাবাদের একটি সাততলা ভবনে ভাড়া থাকতেন তাসলিমা। একই ভবনের আরেক ভাড়াটিয়া রাজুর (৪১) সঙ্গে প্রায় ১৮ মাস ধরে তার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় ভবনের ছাদে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রাজু তাসলিমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাসলিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে জানায় তিশা পরিবহনের ধাক্কায় তাসলিমার মৃত্যু হয়েছে। পরে থানায় এসে তারা স্বীকার করেন, রাজু নামের এক ভাড়াটিয়া তাকে ছুরিকাঘাত করেছে।’ পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযুক্ত রাজু পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হ
রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় গৃহবধূ তাসলিমা আক্তার (৩৪) সড়ক দুর্ঘটনায় নয়, বরং পরকীয়ার জেরে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। তবে, শুরুতে ঘটনাটি আড়াল করতে স্বজনরা হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনার গল্প বলেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার এসআই আওলাদ হোসেন।
আওলাদ হোসেন জানান, দক্ষিণ সায়দাবাদের একটি সাততলা ভবনে ভাড়া থাকতেন তাসলিমা। একই ভবনের আরেক ভাড়াটিয়া রাজুর (৪১) সঙ্গে প্রায় ১৮ মাস ধরে তার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় ভবনের ছাদে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে রাজু তাসলিমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করেন। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাসলিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ‘প্রথমে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে জানায় তিশা পরিবহনের ধাক্কায় তাসলিমার মৃত্যু হয়েছে। পরে থানায় এসে তারা স্বীকার করেন, রাজু নামের এক ভাড়াটিয়া তাকে ছুরিকাঘাত করেছে।’
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযুক্ত রাজু পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে, নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার দেবর মো. নাদিম দাবি করেছিলেন, বংশালের বাবার বাড়ি থেকে সায়দাবাদ ফেরার পথে রেলগেট এলাকায় একটি বাস অটোরিকশাকে ধাক্কা দিলে তাসলিমা আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নিহত তাসলিমার স্বামীর নাম রশিদ আহমেদ বাপ্পি এবং তার বাবার নাম জয়নাল মাতুব্বর বলে জানা গেছে।
What's Your Reaction?