সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে নারী শিক্ষককে হত্যা, ‘আলামত নষ্ট’ করতে ঘরে আগুন

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নে ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে গীতা রানী (৪৫) নামের এক স্কুল শিক্ষককে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গীতা রানী উপজেলার একদন্ত বারইপাড়া গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী এবং তিনি চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় গীতা রানী বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দিলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। স্থানীয়দের ধারণা, একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহটি বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের পর আলামত নষ্টের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা নিহতের বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বজন ও স্থানী

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে নারী শিক্ষককে হত্যা, ‘আলামত নষ্ট’ করতে ঘরে আগুন

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নে ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে গীতা রানী (৪৫) নামের এক স্কুল শিক্ষককে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত গীতা রানী উপজেলার একদন্ত বারইপাড়া গ্রামের নন্দ দাসের স্ত্রী এবং তিনি চাচকিয়া ব্র্যাক স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় গীতা রানী বিষয়টি টের পেয়ে বাধা দিলে দুর্বৃত্তদের সঙ্গে তার ধস্তাধস্তি হয়। স্থানীয়দের ধারণা, একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহটি বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

হত্যাকাণ্ডের পর আলামত নষ্টের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা নিহতের বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে টয়লেটের ট্যাংকিতে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ক্রাইম সিন ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow