সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে নবজাতক, সন্ধান নেই মায়ের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে একটি বাড়ির সিঁড়ি থেকে এক ছেলে নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটিকে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের মহিষবেড় গ্রামের ফাইজুল ইসলামের মাদারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে কে বা কারা বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় ওঠার সিঁড়িতে ওই নবজাতককে রেখে চলে যায়। পরে কান্না শুনে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করেন। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা শিশুটিকে দেখতে ভিড় করেন। অনেকেই শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করলে সেখানে কিছুটা হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে। নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকেশ পাল জানান, নবজাতকটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা এবং দত্তক সংক্রান্ত বিষয়ে বুধবার (১৫ জুলাই) সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরিচয় শনাক্ত না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই করে যোগ্য দম্পতির ক

সিঁড়িতে পড়ে ছিল ফুটফুটে নবজাতক, সন্ধান নেই মায়ের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে একটি বাড়ির সিঁড়ি থেকে এক ছেলে নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটিকে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের মহিষবেড় গ্রামের ফাইজুল ইসলামের মাদারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরের দিকে কে বা কারা বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় ওঠার সিঁড়িতে ওই নবজাতককে রেখে চলে যায়। পরে কান্না শুনে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করেন। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা শিশুটিকে দেখতে ভিড় করেন। অনেকেই শিশুটিকে লালন-পালনের আগ্রহ প্রকাশ করলে সেখানে কিছুটা হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে নাসিরনগর থানা পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসা চলছে।

নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাকেশ পাল জানান, নবজাতকটি বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা এবং দত্তক সংক্রান্ত বিষয়ে বুধবার (১৫ জুলাই) সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরিচয় শনাক্ত না হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই করে যোগ্য দম্পতির কাছে শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, ‌‘নবজাতকটি বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন এবং সমাজসেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে আছে। যদি কেউ শিশুটিকে দত্তক নিতে চান, তবে সমাজসেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।’

নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন বলেন, পরিচয় শনাক্ত না হলে আইন অনুযায়ী দত্তকের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow