সিআইডি পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মো. সাজু আহমেদ শোভন (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (৮ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার সাজু আহমেদ শোভন রংপুর জেলার কোতোয়ালি থানার পশ্চিম বাবু খাঁ গ্রামের মো. আব্দুল আলীম শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিউ সমনবাগ চা বাগানের বাসিন্দা চা শ্রমিক যতিন চাষার (৪৮) একটি মামলা রয়েছে। গত ৫ জুন রাতে সাজু আহমেদ শোভন নিজেকে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই মামলার বিষয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে মামলা নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়ে তিনি যতিন চাষার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। পরে রোববার বিকেলে শোভন আবার চা বাগান এলাকায় এলে ভুক্তভোগী তাকে চিনতে পারেন। এরপর স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মো. সাজু আহমেদ শোভন (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সোমবার (৮ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগান এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার সাজু আহমেদ শোভন রংপুর জেলার কোতোয়ালি থানার পশ্চিম বাবু খাঁ গ্রামের মো. আব্দুল আলীম শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিউ সমনবাগ চা বাগানের বাসিন্দা চা শ্রমিক যতিন চাষার (৪৮) একটি মামলা রয়েছে। গত ৫ জুন রাতে সাজু আহমেদ শোভন নিজেকে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই মামলার বিষয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। একপর্যায়ে মামলা নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়ে তিনি যতিন চাষার কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।
পরে রোববার বিকেলে শোভন আবার চা বাগান এলাকায় এলে ভুক্তভোগী তাকে চিনতে পারেন। এরপর স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেকে পুলিশ কর্মকর্তা দাবি করেন এবং একটি পরিচয়পত্র দেখান।
তবে যাচাই-বাছাই শেষে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি বাংলাদেশ পুলিশের কোনো সদস্য নন। বরং ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ভুয়া পরিচয়পত্র ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যতিন চাষা বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার ও সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়দানকারী কোনো ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে সন্দেহ হলে সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করা উচিত। প্রতারক চক্রের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
What's Your Reaction?