সিউলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেখানো হলো ‘উৎসব’ চলচ্চিত্র

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ‘উৎসব’ চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে দেশটিতে বসবাসরত ইপিএস কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল প্রবাসীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি প্রবাস জীবনে বাংলা সংস্কৃতি, পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক মূল্যবোধ ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তানিম নূর পরিচালিত ও প্রযোজিত চলচ্চিত্র ‘উৎসব’ বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক চার্লস ডিকেন্সের রচনা ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারোল’ থেকে অনুপ্রাণিত। চলচ্চিত্রটিতে পরিবার, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও একসঙ্গে থাকার মানবিক সম্পর্কের গল্প ফুটে উঠেছে। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনের গুরুত্বের বার্তা সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে। প্রদর্শনী চলাকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগঘন পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই প্রবাসে বসে বড় পর্দায়

সিউলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেখানো হলো ‘উৎসব’ চলচ্চিত্র
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ‘উৎসব’ চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে দেশটিতে বসবাসরত ইপিএস কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল প্রবাসীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। তিনি প্রবাস জীবনে বাংলা সংস্কৃতি, পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক মূল্যবোধ ধরে রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তানিম নূর পরিচালিত ও প্রযোজিত চলচ্চিত্র ‘উৎসব’ বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক চার্লস ডিকেন্সের রচনা ‘এ ক্রিস্টমাস ক্যারোল’ থেকে অনুপ্রাণিত। চলচ্চিত্রটিতে পরিবার, ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও একসঙ্গে থাকার মানবিক সম্পর্কের গল্প ফুটে উঠেছে। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধনের গুরুত্বের বার্তা সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলে। প্রদর্শনী চলাকালে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগঘন পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই প্রবাসে বসে বড় পর্দায় বাংলা সিনেমা দেখার এই সুযোগকে আনন্দঘন সাংস্কৃতিক মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেন। দূতাবাস জানায়, চলচ্চিত্র সংস্কৃতির মাধ্যমে বাঙালি জীবনবোধ, মূল্যবোধ ও পারিবারিক ঐতিহ্য বিদেশে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়ে থাকে। ভবিষ্যতেও প্রবাসীদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow