সিএসইতে এ বি সিদ্দিকের স্মরণসভা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মরহুম আবু বকর (এ বি) সিদ্দিকের স্মরণে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের পুঁজিবাজারের বিকাশে তার অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কার্যালয়ে এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। গত ১৫ জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন করেছেন।
অনুষ্ঠানে সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সহকর্মীরা বলেন, এ.বি. সিদ্দিক ছিলেন একজন দূরদর্শী, সৎ, কর্মনিষ্ঠ ও প্রজ্ঞাবান নেতা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে তার অবদান ছিল অনন্য।
বক্তারা বলেন, তার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সিএসইর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়, যা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণ ও অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দক্ষ নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে তিনি সিএসইকে একটি সুসংগঠিত ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
স্মরণসভায় আরও জানানো হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসির (সিএসই) সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মরহুম আবু বকর (এ বি) সিদ্দিকের স্মরণে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের পুঁজিবাজারের বিকাশে তার অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
সোমবার (২০ জুলাই) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান কার্যালয়ে এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। গত ১৫ জুলাই তিনি ইন্তেকাল করেন করেছেন।
অনুষ্ঠানে সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সহকর্মীরা বলেন, এ.বি. সিদ্দিক ছিলেন একজন দূরদর্শী, সৎ, কর্মনিষ্ঠ ও প্রজ্ঞাবান নেতা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলা এবং প্রতিষ্ঠানটির প্রাতিষ্ঠানিক বিকাশে তার অবদান ছিল অনন্য।
বক্তারা বলেন, তার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের সিএসইর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হয়, যা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণ ও অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দক্ষ নেতৃত্ব, নিষ্ঠা ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে তিনি সিএসইকে একটি সুসংগঠিত ও গতিশীল প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
স্মরণসভায় আরও জানানো হয়, দায়িত্ব পালনকালে তিনি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)সহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে কার্যকর ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন বিদেশি স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করেন।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৯৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি দেশব্যাপী অসংখ্য বিনিয়োগকারী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করেন। এসব উদ্যোগ দেশের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুঁজিবাজার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
স্মৃতিচারণ করে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘তিনি শুধু একজন দক্ষ প্রশাসকই ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন স্নেহশীল অভিভাবক, প্রজ্ঞাবান পরামর্শদাতা ও অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তিত্ব। সহকর্মীদের মতামত গুরুত্ব দিয়ে শুনতেন এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে জটিল সমস্যার সমাধান দিতেন তিনি। তার বিনয়, আন্তরিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ কর্মপরিবেশকে সবসময় সৌহার্দ্যপূর্ণ করে তুলেছিল।’