সিটি করপোরেশনের সড়ক যেন মরণফাঁদ, সংস্কারের নামে দুর্ভোগ দ্বিগুণ

রাজধানীর সড়ক উন্নয়নের নামে দুর্ভোগ কমার বদলে উল্টো বেড়েই চলেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উত্তরখান থানার ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের চামুরখান মোড় থেকে কাচকুরা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়ক এখন স্থানীয়দের জন্য কার্যত ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা এই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয় গত বছরের শেষ দিকে। শুরুতে কাজ শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অল্প সময়ের মধ্যেই থমকে যায় পুরো কার্যক্রম। বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বেড কাটা, খোঁড়াখুঁড়ি, উঁচুনিচু মাটি এবং ভাঙা ইট ফেলে রাখা হয়েছে, যা পুরো এলাকাজুড়ে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদা ও পানিতে ডুবে যায়, ফলে চলাচল হয়ে ওঠে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যত বন্ধ রয়েছে সব ধরনের উন্নয়ন কাজ। প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করতে গিয়ে পথচারী, শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ভ্যানচালক রবিউল হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পানিতে ঢেকে থাকা গর্তগুলো বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে। আ

সিটি করপোরেশনের সড়ক যেন মরণফাঁদ, সংস্কারের নামে দুর্ভোগ দ্বিগুণ

রাজধানীর সড়ক উন্নয়নের নামে দুর্ভোগ কমার বদলে উল্টো বেড়েই চলেছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) উত্তরখান থানার ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের চামুরখান মোড় থেকে কাচকুরা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার সড়ক এখন স্থানীয়দের জন্য কার্যত ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা এই সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয় গত বছরের শেষ দিকে। শুরুতে কাজ শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও অল্প সময়ের মধ্যেই থমকে যায় পুরো কার্যক্রম। বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বেড কাটা, খোঁড়াখুঁড়ি, উঁচুনিচু মাটি এবং ভাঙা ইট ফেলে রাখা হয়েছে, যা পুরো এলাকাজুড়ে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কটি কাদা ও পানিতে ডুবে যায়, ফলে চলাচল হয়ে ওঠে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাদের অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কার্যত বন্ধ রয়েছে সব ধরনের উন্নয়ন কাজ। প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করতে গিয়ে পথচারী, শিক্ষার্থী, রিকশাচালক ও ব্যবসায়ীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

ভ্যানচালক রবিউল হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পানিতে ঢেকে থাকা গর্তগুলো বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

আরেক পথচারী সুপ্রিয় সিকদার বলেন,  রাস্তার এই পরিস্থিতিতে জরুরি পরিবহনের অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঢোকার ও অবস্থা নেই এখানে।

তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সুপারভাইজার মিরু হোসেন দাবি করেন, কাজ চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা ১৮ আসনের  সংসদ সদস্য এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য সিটি করপোরেশনকে অবহিত করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow