সিনিয়র রাজাকারদের বলবো জুনিয়রদের সামলান: রাবি ছাত্রদল সভাপতি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেছেন, ‘যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে বিশ্বাস করে না, যারা দেশের নারী জাতিকে সম্মান করে না সেই সব সিনিয়র রাজাকারেরা- আপনারা আপনাদের জুনিয়র রাজাকারদের সামলান। এদের থামাতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের জনগণ, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ এই সব জুনিয়র রাজাকারদের বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠাঁই দেবে না। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে পাবনায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের প্রতিবাদে রাবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন তারা। এসময় ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশে একটি মুনাফেকি জাতি উন্মোচিত হয়েছে যারা ধর্মের লেবাস পরে বাংলাদেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ সিনিয়র রাজাকারদের পাছায় লাথি মেরে পাকিস্তান পাঠিয়ে দিয়েছিল। জুনিয়র রাজাকারদের বলতে চাই, তোমরা সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসো, না হলে তোমাদেরও পাছায় লাথি মেরে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এসময় বিক্ষোভ মিছিলে তাদের ‘গু

সিনিয়র রাজাকারদের বলবো জুনিয়রদের সামলান: রাবি ছাত্রদল সভাপতি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেছেন, ‘যারা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে বিশ্বাস করে না, যারা দেশের নারী জাতিকে সম্মান করে না সেই সব সিনিয়র রাজাকারেরা- আপনারা আপনাদের জুনিয়র রাজাকারদের সামলান। এদের থামাতে ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের জনগণ, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ এই সব জুনিয়র রাজাকারদের বাংলাদেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠাঁই দেবে না।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে পাবনায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষের প্রতিবাদে রাবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন তারা।

এসময় ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশে একটি মুনাফেকি জাতি উন্মোচিত হয়েছে যারা ধর্মের লেবাস পরে বাংলাদেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ সিনিয়র রাজাকারদের পাছায় লাথি মেরে পাকিস্তান পাঠিয়ে দিয়েছিল। জুনিয়র রাজাকারদের বলতে চাই, তোমরা সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসো, না হলে তোমাদেরও পাছায় লাথি মেরে পাকিস্তান পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

এসময় বিক্ষোভ মিছিলে তাদের ‘গুপ্ত রাজনীতি, চলবে না, চলবে না’, ‘শিবিরের সন্ত্রাসী রুখে দাও, ছাত্রসমাজ’, ‘গুপ্তদের গদিতে, আগুন জ্বালাও একসাথে’, ‘শিবিরের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শিবিরের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘জামায়াত-শিবির, জামায়াত-শিবির—গুপ্ত, গুপ্ত’, ‘জামায়াত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে ক্যাম্পাস ছাড়’, ‘ধর ধর শিবির ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর’, ‘আমার ভাই আহত কেন, চুম্মা শফিক জবাব দে’, ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি চলবে না, চলবে না’, ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরদার জহুরুল বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে লক্ষ্য করেছি বাংলাদেশবিরোধী এবং যাদের কোনো নিজস্ব পরিচয় নেই, সেই পরিচয়বিহীন নেতৃত্বগুলো আমাদের মধ্যে ঢুকে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা এবং বাংলাদেশের পরিবেশ ঘোলাটে করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমরা কঠোরভাবে বলতে চাই আপনারা কিন্তু এখন সরকারি দলের ওই ফ্যাসিস্টের সঙ্গে নেই, এখন বিরোধী দলে আছেন সুতরাং বিরোধী দলের মতো আচরণ করুন। তাহলে আপনাদের জন্য আমাদের সহানুভূতি থাকবে। কিন্তু কোনো অন্যায় করলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বে কোনো আঘাত হানলে বাংলাদেশের ভাগ্যের যদি কোনো উন্নয়নের কাজে বাধা দিলে আপনাদের শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে।

বিক্ষোভ মিছিলে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সভাপতি, সহ-সভাপতি, হল শাখার সভাপতিসহ বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মনির হোসেন মাহিন/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow