সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার হাবিবনগর মেহেরুন টাওয়ার থেকে সাইদুর রহমান (৩০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের। শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় সাইদুর রহমানের অচেতন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন যাত্রীবাহী বাসে ট্রাকের ধাক্কা, চালকসহ নিহত ২ সাইদুর রহমানের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বড় ডালিমা এলাকায়। তবে পরিবারের সঙ্গে ঢাকার গেন্ডারিয়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নিহত সাইদুর রহমানের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, সাইদুর আমার সঙ্গে ব্যবসা দেখাশোনা করতো। দেড় বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করে। গতকাল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওর স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। এ বিষয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সাইদুর। পরে রাতে নিজরুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। আরও পড়ুন রোমে বিমানের উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক

সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল যুবকের মরদেহ

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানার হাবিবনগর মেহেরুন টাওয়ার থেকে সাইদুর রহমান (৩০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি পরিবারের।

শনিবার (৮ আগস্ট) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় সাইদুর রহমানের অচেতন দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সাইদুর রহমানের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বড় ডালিমা এলাকায়। তবে পরিবারের সঙ্গে ঢাকার গেন্ডারিয়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

নিহত সাইদুর রহমানের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, সাইদুর আমার সঙ্গে ব্যবসা দেখাশোনা করতো। দেড় বছর আগে প্রেম করে বিয়ে করে। গতকাল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ওর স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। এ বিষয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে সাইদুর। পরে রাতে নিজরুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।

কাজী আল-আমিন/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow