সীমান্তে বেড়া নির্মাণে তোড়জোড়, পশ্চিমবঙ্গে জরুরি বৈঠক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসাতে ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়ার পর জরুরি বৈঠক করেছে কর্তৃপক্ষ। বিএসএফকে জমি হস্তান্তর নিয়ে মঙ্গলবার (১৯ মে) উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দর সংলগ্ন এলাকায় বৈঠকে বসেন রাজ্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া, বসিরহাটের মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট জসলিন কৌর, পুলিশ সুপার (এসপি) অলকানন্দ ভাওয়াল ছাড়াও স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, বসিরহাট, হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। বৈঠকে অংশ নেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও। এসময় আলোচনায় উঠে আসে, সীমান্ত এলাকায় কীভাবে জমি অধিগ্রহণ করা হবে, জমির মালিকদের কাছ থেকে কীভাবে জমি সংগ্রহ করা হবে এবং যাদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করা হবে তাদের কীভাবে পুনর্বাসন দেওয়া হবে- সেসব বিষয়। এছাড়াও সীমান্ত অঞ্চলের সুরক্ষা নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া বলেন, ‘আমাদের জয়েন্ট মিটিং ছিল। আ
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসাতে ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়ার পর জরুরি বৈঠক করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিএসএফকে জমি হস্তান্তর নিয়ে মঙ্গলবার (১৯ মে) উত্তর ২৪ পরগনার ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দর সংলগ্ন এলাকায় বৈঠকে বসেন রাজ্য প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা প্রশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া, বসিরহাটের মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট জসলিন কৌর, পুলিশ সুপার (এসপি) অলকানন্দ ভাওয়াল ছাড়াও স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, বসিরহাট, হাসনাবাদ, হিঙ্গলগঞ্জের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা। বৈঠকে অংশ নেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও।
এসময় আলোচনায় উঠে আসে, সীমান্ত এলাকায় কীভাবে জমি অধিগ্রহণ করা হবে, জমির মালিকদের কাছ থেকে কীভাবে জমি সংগ্রহ করা হবে এবং যাদের কাছ থেকে জমি অধিগ্রহণ করা হবে তাদের কীভাবে পুনর্বাসন দেওয়া হবে- সেসব বিষয়। এছাড়াও সীমান্ত অঞ্চলের সুরক্ষা নিয়েও আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া বলেন, ‘আমাদের জয়েন্ট মিটিং ছিল। আইবির আইজি, এসপি ম্যাডাম আছেন, আমাদের বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডাররা আছেন। ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরের যেসব বিষয় আমাদের সামনে আসছে, তার মধ্যে কিছু বেআইনি অনুপ্রবেশের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিএসএফ এবং পুলিশ মিলে প্রতিদিন একটা যৌথ টহল দেবে। দালালদের একটি তালিকা জমা পড়েছে। তাদের থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য বলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সীমানায় কাঁটাতারের বেড়ার জন্য যে জমি কেনা হয়েছে সে সব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। যারা জমি দিয়েছে তাদের এনওসি কালেক্ট করা হচ্ছে। এই কাজটা আমাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে।’
শিল্পা গৌরীসারিয়া বলেন, ‘৩৫৩ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। এর মধ্যে ১৮০ একর জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বিএসএফকে। বাকি অংশের কাজ চলছে।’
ডিডি/কেএএ/
What's Your Reaction?