সুইচবোর্ড পরিষ্কার করার ঘরোয়া উপায়

ঘরের প্রতিটি অংশ পরিষ্কার থাকলেও অনেক সময় সবচেয়ে অবহেলিত থেকে যায় সুইচবোর্ড। প্রতিদিন হাতের স্পর্শে এতে তেলচিটে দাগ জমে, ধুলা বসে এবং ধীরে ধীরে হলদেটে বা কালচে ছোপ পড়ে যায়। বিশেষ করে রান্নাঘর ও বেডরুমের সুইচবোর্ড দ্রুত নোংরা হয়ে যায়। কিন্তু বিদ্যুতের ঝুঁকির কারণে অনেকেই এটি ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে সাহস পান না। ফলে ঘর পরিষ্কার দেখালেও সুইচবোর্ডের ময়লা পুরো লুকটাই নষ্ট করে দেয়। তবে কিছু সহজ ও নিরাপদ ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে খুব সহজেই সুইচবোর্ড আবার নতুনের মতো চকচকে করা যায়। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা জরুরি সুইচবোর্ড পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই প্রধান বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে হবে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ধাপ। ভেজা কাপড় বা কোনো ক্লিনিং সলিউশন ব্যবহার করার সময় সামান্য অসতর্কতাও বিপজ্জনক হতে পারে। তাই প্রথমেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। ভিনেগার দিয়ে তেলচিটে দাগ দূর রান্নাঘরের সুইচবোর্ডে তেলচিটে দাগ বেশি দেখা যায়। এক ভাগ ভিনেগার ও এক ভাগ পানি মিশিয়ে হালকা দ্রবণ তৈরি করুন। একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে ভালোভাবে চিপে নিয়ে ধীরে ধীরে সুইচবোর্ড মুছুন। ভিনেগার তেলের দাগ তুলতে সাহায্য করে এবং সুইচবোর্ডকে পরি

সুইচবোর্ড পরিষ্কার করার ঘরোয়া উপায়

ঘরের প্রতিটি অংশ পরিষ্কার থাকলেও অনেক সময় সবচেয়ে অবহেলিত থেকে যায় সুইচবোর্ড। প্রতিদিন হাতের স্পর্শে এতে তেলচিটে দাগ জমে, ধুলা বসে এবং ধীরে ধীরে হলদেটে বা কালচে ছোপ পড়ে যায়।

বিশেষ করে রান্নাঘর ও বেডরুমের সুইচবোর্ড দ্রুত নোংরা হয়ে যায়। কিন্তু বিদ্যুতের ঝুঁকির কারণে অনেকেই এটি ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে সাহস পান না। ফলে ঘর পরিষ্কার দেখালেও সুইচবোর্ডের ময়লা পুরো লুকটাই নষ্ট করে দেয়। তবে কিছু সহজ ও নিরাপদ ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে খুব সহজেই সুইচবোর্ড আবার নতুনের মতো চকচকে করা যায়।

jago

বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা জরুরি

সুইচবোর্ড পরিষ্কার করার আগে অবশ্যই প্রধান বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করতে হবে। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ধাপ। ভেজা কাপড় বা কোনো ক্লিনিং সলিউশন ব্যবহার করার সময় সামান্য অসতর্কতাও বিপজ্জনক হতে পারে। তাই প্রথমেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

ভিনেগার দিয়ে তেলচিটে দাগ দূর

রান্নাঘরের সুইচবোর্ডে তেলচিটে দাগ বেশি দেখা যায়। এক ভাগ ভিনেগার ও এক ভাগ পানি মিশিয়ে হালকা দ্রবণ তৈরি করুন। একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে ভালোভাবে চিপে নিয়ে ধীরে ধীরে সুইচবোর্ড মুছুন। ভিনেগার তেলের দাগ তুলতে সাহায্য করে এবং সুইচবোর্ডকে পরিষ্কার রাখে।

বেকিং সোডায় হলদেটে দাগ পরিষ্কার

যদি দাগ অনেকদিন ধরে জমে থাকে, তাহলে বেকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারে। অল্প পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর নরম কাপড় বা তুলার সাহায্যে দাগের জায়গায় লাগিয়ে আলতোভাবে মুছুন। এটি শক্ত দাগ দূর করতে সাহায্য করে, তবে খুব বেশি ঘষাঘষি করা উচিত নয়।

jago

কটন বাড ও টুথব্রাশের ব্যবহার

সুইচবোর্ডের কোণা ও ফাঁকে জমে থাকা ময়লা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করা যায় না। সেখানে কটন বাড বা পুরোনো টুথব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। সামান্য ক্লিনিং সলিউশন দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করলে সুইচের চারপাশও ঝকঝকে হয়ে ওঠে।

টুথপেস্টে অতিরিক্ত উজ্জ্বলতা

সাদা টুথপেস্টও সুইচবোর্ড পরিষ্কারে দারুণ কাজ করে। অল্প টুথপেস্ট কাপড়ে নিয়ে দাগের ওপর হালকা ঘষুন, তারপর ভেজা কাপড়ে মুছে ফেলুন। এতে সুইচবোর্ড আরও উজ্জ্বল ও পরিষ্কার দেখাবে।

শুকনো কাপড়ে ফিনিশিং টাচ

একটি একেবারে শুকনো ও নরম কাপড় দিয়ে পুরো সুইচবোর্ড মুছে নিন। এতে কোনো আর্দ্রতা থাকবে না এবং দ্রুত ধুলোও জমবে না। এই ধাপটি সুইচবোর্ডকে দীর্ঘ সময় পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

নিয়মিত যত্নেই দীর্ঘস্থায়ী পরিষ্কার

সপ্তাহে অন্তত একবার শুকনো কাপড় দিয়ে সুইচবোর্ড মুছে নিলে ময়লা জমে না। রান্নাঘরের তেল ও ধোঁয়া থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখা এবং অতিরিক্ত পানি ব্যবহার না করাই সবচেয়ে ভালো অভ্যাস।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও অন্যান্য

এসএকেওয়াই

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow