সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ কততম?

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো নিচের দিকে। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের র‍্যাঙ্ক ১২৭।  এই নিম্নমুমুখীর কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থাকলেও সামাজিক আস্থা, নিরাপত্তা এবং মানসিক সুস্থতার মতো বিষয়ে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। অপরদিকে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে আবারও স্বীকৃতি পেয়েছে ফিনল্যান্ড। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, টানা ৯ বছর ধরে প্রথম স্থানে ইউরোপীয় দেশটি।  এই সফলতার পেছনে রয়েছে, ফিনিশ নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ সুবিধা। তালিকায় শীর্ষ স্থান দিতে দেশটিতে কম দুর্নীতি এবং সরকারের প্রতি আস্থাকেও গুরত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। বলা হয়, ফিনিশদের জীবনযাত্রার ভারসাম্য এবং প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই তাদের সুখী রাখে। তবে, তরুণদের মধ্যে সুখ কমে যাওয়ার প্রবণতা পেয়েছে হ্যাপিনেস রিপোর্ট। এর পেছনে সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার বড় ভূমিকা রাখছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট অনুযায়ী, দ্বিতীয় অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড। এর

সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ কততম?

বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো নিচের দিকে। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, বাংলাদেশের র‍্যাঙ্ক ১২৭। 

এই নিম্নমুমুখীর কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থাকলেও সামাজিক আস্থা, নিরাপত্তা এবং মানসিক সুস্থতার মতো বিষয়ে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

অপরদিকে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে আবারও স্বীকৃতি পেয়েছে ফিনল্যান্ড। ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৬ অনুযায়ী, টানা ৯ বছর ধরে প্রথম স্থানে ইউরোপীয় দেশটি। 

এই সফলতার পেছনে রয়েছে, ফিনিশ নাগরিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা ও সমান সুযোগ সুবিধা। তালিকায় শীর্ষ স্থান দিতে দেশটিতে কম দুর্নীতি এবং সরকারের প্রতি আস্থাকেও গুরত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। বলা হয়, ফিনিশদের জীবনযাত্রার ভারসাম্য এবং প্রকৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই তাদের সুখী রাখে। তবে, তরুণদের মধ্যে সুখ কমে যাওয়ার প্রবণতা পেয়েছে হ্যাপিনেস রিপোর্ট। এর পেছনে সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার বড় ভূমিকা রাখছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

২০২৬ সালের ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট অনুযায়ী, দ্বিতীয় অবস্থানে আছে আইসল্যান্ড। এরপর ক্রমানুসারে আছে ডেনমার্ক, কোস্টারিকা, সুইডেন, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, ইসরায়েল, লুক্সেমবার্গ ও সুইজারল্যান্ড।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow