সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, ধর্মপাশাসহ কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেছেন মানুষজন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঐসব উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।জানা গেছে, জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামসহ আশপাশের পাহাড়তৈলী, রজনী লাইন গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। সকালে আমতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন আমতৈল জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামাতে শতাধিক মুসল্লির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ঈদ উদযাপনকারী আমতৈল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশীদ জানান, তারা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ‘মির্জা কিল দরবার শরীফ’-এর অনুসারী। পূর্বপুরুষদের অনুসরণে তারা প্রতি বছর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরও তারা আগাম

সুনামগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, ধর্মপাশাসহ কয়েকটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেছেন মানুষজন। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে ঐসব উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ আদায় শেষে মুসল্লিরা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন।

জানা গেছে, জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামসহ আশপাশের পাহাড়তৈলী, রজনী লাইন গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। সকালে আমতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ সংলগ্ন আমতৈল জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি জামাতে শতাধিক মুসল্লির উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ঈদ উদযাপনকারী আমতৈল গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশীদ জানান, তারা চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ‘মির্জা কিল দরবার শরীফ’-এর অনুসারী। পূর্বপুরুষদের অনুসরণে তারা প্রতি বছর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরও তারা আগাম ঈদ উদযাপন করেছেন। তিনি আরও জানান, ঈদুল ফিতর সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পালন করা হলেও ঈদুল আজহা তারা সারাদেশের সঙ্গে মিল রেখেই উদযাপন করবেন।

অপরদিকে, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধর্মপাশা উপজেলার সুরেশ্বরী দরবার শরিফের অনুসারী ১২টি গ্রামের ভক্তরা প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। এসব গ্রামের মধ্যে রয়েছে দশধরী, ধর্মপাশা উত্তরপাড়া, সৈয়দপুর, রাধানগর, কান্দাপাড়া, গাছতলা, জামালপুর, রাজনগর, মেউহারী, বাহুটিয়াকান্দা, মগুয়ারচর ও মহদীপুর। এসব এলাকার ভক্তরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন দীর্ঘ দিন ধরে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এসব জামাতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন মুসল্লিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow