সুন্দরবনে দস্যুদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ, জিম্মি চার জেলে উদ্ধার
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সিঙ্গারটেক এলাকায় বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সঙ্গে বনরক্ষীদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এ ঘটনায় জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বন বিভাগ জানায়, শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিম যৌথভাবে টহল পরিচালনার সময় বনদস্যুদের অবস্থান টের পায়। পরে সেখানে অভিযান চালালে বনদস্যুরা বনরক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বনকর্মীরাও পাল্টা গুলি চালান।
একপর্যায়ে বনদস্যুরা তাদের ব্যবহৃত ট্রলার ও জিম্মি করে রাখা চার জেলেকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বনকর্মীরা জেলেদের উদ্ধার করে শেলারচর টহল ফাঁড়িতে নিয়ে যান।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন শরণখোলার মাসুম খান ও মো. হাসান, খুলনার বটিয়াঘাটার নাছিম আলী এবং দাকোপের ইরাক শেখ।
শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, একটি কার্তুজ ও দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সিঙ্গারটেক এলাকায় বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সঙ্গে বনরক্ষীদের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে এ ঘটনায় জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বন বিভাগ জানায়, শেলারচর টহল ফাঁড়ি ও স্মার্ট টিম যৌথভাবে টহল পরিচালনার সময় বনদস্যুদের অবস্থান টের পায়। পরে সেখানে অভিযান চালালে বনদস্যুরা বনরক্ষীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বনকর্মীরাও পাল্টা গুলি চালান।
একপর্যায়ে বনদস্যুরা তাদের ব্যবহৃত ট্রলার ও জিম্মি করে রাখা চার জেলেকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বনকর্মীরা জেলেদের উদ্ধার করে শেলারচর টহল ফাঁড়িতে নিয়ে যান।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা হলেন শরণখোলার মাসুম খান ও মো. হাসান, খুলনার বটিয়াঘাটার নাছিম আলী এবং দাকোপের ইরাক শেখ।
শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম জানান, অভিযানে একটি একনলা বন্দুক, একটি কার্তুজ ও দুটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ।