সুন্দরবনে ফিরছে সেই বাঘিনী
চোরা শিকারির ফাঁদে আটকা পড়ে আহত হওয়া বাঘটিকে চিকিৎসা শেষে আবারও ছাড়া হবে সুন্দরবনে। যেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে সব প্রক্রিয়া শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে সুন্দরবনের আন্দার মানিক সংলগ্ন এলাকায় অবমুক্ত করা হবে বাঘিনীটিকে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মোংলার জয়মনি সংলগ্ন সুন্দরবনে ফাঁদে আটকা থাকা অবস্থা থেকে বাঘটি উদ্ধার করে বন বিভাগ।
জানা যায়, ছেড়ে দেওয়া বাঘটির গতিবিধি লক্ষ করা এবং অন্য বাঘের অবস্থা নির্ণয়ের জন্য সুন্দরবনে ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে ২০টি ক্যামেরা। রোববার ভোরে খুলনার চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে বাঘটিকে আনা হবে মোংলায়। এর পর লঞ্চযোগে নেওয়া হবে সুন্দরবনে।
সুন্দরবনের বিভাগের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মো. মোফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, রোববার সুন্দরবনের মুক্ত বাতাসে নিজের চেনা পরিবেশে ফিরছে সেই বাঘিনী। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি উদ্ধার হওয়ার সময় শিকারিদের ফাঁদে আটকে বাঘিনীটির বাম পা এতটাই ক্ষত হয়েছিল যে হাড় পর্যন্ত বের হয়ে এসেছিল। তখন অনেকেই হয়তো তার বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বন বিভাগের তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতা এবং বিশেষজ্ঞ মেডিক
চোরা শিকারির ফাঁদে আটকা পড়ে আহত হওয়া বাঘটিকে চিকিৎসা শেষে আবারও ছাড়া হবে সুন্দরবনে। যেটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম।
রোববার (১২ জুলাই) সকালে সব প্রক্রিয়া শেষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের উপস্থিতিতে সুন্দরবনের আন্দার মানিক সংলগ্ন এলাকায় অবমুক্ত করা হবে বাঘিনীটিকে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি মোংলার জয়মনি সংলগ্ন সুন্দরবনে ফাঁদে আটকা থাকা অবস্থা থেকে বাঘটি উদ্ধার করে বন বিভাগ।
জানা যায়, ছেড়ে দেওয়া বাঘটির গতিবিধি লক্ষ করা এবং অন্য বাঘের অবস্থা নির্ণয়ের জন্য সুন্দরবনে ইতোমধ্যে বসানো হয়েছে ২০টি ক্যামেরা। রোববার ভোরে খুলনার চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে বাঘটিকে আনা হবে মোংলায়। এর পর লঞ্চযোগে নেওয়া হবে সুন্দরবনে।
সুন্দরবনের বিভাগের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মো. মোফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, রোববার সুন্দরবনের মুক্ত বাতাসে নিজের চেনা পরিবেশে ফিরছে সেই বাঘিনী। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি উদ্ধার হওয়ার সময় শিকারিদের ফাঁদে আটকে বাঘিনীটির বাম পা এতটাই ক্ষত হয়েছিল যে হাড় পর্যন্ত বের হয়ে এসেছিল। তখন অনেকেই হয়তো তার বেঁচে থাকার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু বন বিভাগের তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতা এবং বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ ছয় মাসের অক্লান্ত পরিশ্রম, পরম মমতা ও নিবিড় চিকিৎসায় বাঘিনীটি আজ সম্পূর্ণ সুস্থ এবং আগের মতোই চঞ্চল।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র জানান, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নিজের চেনা অরণ্যে ফিরছে সেই বাঘিনী। বনের নতুন পরিবেশে বাঘিনীটির নিরাপত্তা ও সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যেই তার বিচরণ ক্ষেত্রের ২০টি পয়েন্টে অত্যাধুনিক স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা ট্র্যাপ স্থাপন করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, এই প্রথমবারের মতো অসুস্থ বাঘকে চিকিৎসা দিয়ে অবমুক্ত করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য ঐতিহাসিক ও গৌরবময় অধ্যায়।
উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জ এলাকায় হরিণ শিকারিদের পেতে রাখা ছিটকা ফাঁদে আটকা পড়ে প্রায় ১০ বছর বয়সী বাঘিনীটি। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় ৪ জানুয়ারি বাঘটিকে উদ্ধার করে বনবিভাগ। ফাঁদে আটকে থাকার কারণে বাঘিনীটির সামনের বাঁ পায়ের চামড়া, মাংসপেশি ও শিরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।