সুন্দরবনে ৬ জেলে অপহরণের অভিযোগ, মুক্তিপণ দাবি
সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ছয় জেলে অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহরণকারীরা নিজেদের বনদস্যু ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে জেলেদের মুক্তির জন্য মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে সুন্দরবনের চালতাবড়িয়া খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। অপহরণের সময় ইসমাইল খান নামের এক জেলেকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অপহৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী এলাকার দেলোয়ার খাঁর ছেলে ইয়াছিন খাঁ (৩২) ও আলমগীর খাঁ (৩৮), হরিনগর গ্রামের আব্দুর রহিম মাল্লার ছেলে আল-আমিন মাল্লা (৩৫), একই গ্রামের নুরুল হক গাজী (৫০), আব্দুল গফুর গাজীর ছেলে শাহজাহান গাজী (৪৮) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে শহীদুল গাজী (৪৬)।
অপহৃত জেলেদের স্বজনেরা জানান, গত শনিবার তারা সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যান। মঙ্গলবার ভোরে চালতাবড়িয়া খাল এলাকায় অবস্থানকালে অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি তাঁদের জিম্মি করে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারীরা নিজেদের ডন বাহিনীর সদস্য
সাতক্ষীরা রেঞ্জের পশ্চিম সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে গিয়ে ছয় জেলে অপহরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহরণকারীরা নিজেদের বনদস্যু ‘ডন বাহিনী’ পরিচয় দিয়ে জেলেদের মুক্তির জন্য মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে সুন্দরবনের চালতাবড়িয়া খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। অপহরণের সময় ইসমাইল খান নামের এক জেলেকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অপহৃত জেলেরা হলেন, শ্যামনগর উপজেলার কুলতলী এলাকার দেলোয়ার খাঁর ছেলে ইয়াছিন খাঁ (৩২) ও আলমগীর খাঁ (৩৮), হরিনগর গ্রামের আব্দুর রহিম মাল্লার ছেলে আল-আমিন মাল্লা (৩৫), একই গ্রামের নুরুল হক গাজী (৫০), আব্দুল গফুর গাজীর ছেলে শাহজাহান গাজী (৪৮) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের রফিকুল গাজীর ছেলে শহীদুল গাজী (৪৬)।
অপহৃত জেলেদের স্বজনেরা জানান, গত শনিবার তারা সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে বৈধ পাস নিয়ে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যান। মঙ্গলবার ভোরে চালতাবড়িয়া খাল এলাকায় অবস্থানকালে অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি তাঁদের জিম্মি করে নিয়ে যায়। পরে অপহরণকারীরা নিজেদের ডন বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে জেলেদের মুক্তির জন্য পরিবারগুলোর কাছে মাথাপিছু ৩০ হাজার টাকা দাবি করে।
স্বজনদের অভিযোগ, অপহরণের সময় ইসমাইল খান নামের এক জেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় জেলেদের দাবি, সুন্দরবনের বিভিন্ন খাল ও নদীতে মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যাওয়া জেলেরা প্রায়ই বনদস্যুদের আতঙ্কে থাকেন। তারা দ্রুত অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কদমতলা বন স্টেশনের কর্মকর্তা মনিরুল করিম বলেন, জেলে অপহরণের বিষয়টি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।