সেই ইকনকে লাখ টাকাসহ এক মাসের ছুটি দিল কৃষি ব্যাংক
বাগেরহাটে বাবার দাফন শেষে রাতে এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন করে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া ইকনকে আর্থিক সহায়তা ও বেতনসহ এক মাসের ছুটি দিয়েছে কৃষি ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে কৃষি ব্যাংকের বাগেরহাট আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইকনের হাতে এ অর্থ সহায়তা তুলে দেন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. আবু হাশেম মিয়া। এসময় কৃষি ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক তরিকুল ইসলাম খান, শাখা ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংক কর্মকর্তা জগলুল কবিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন বাবার দাফন শেষে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া সেই ইকনের পাশে জেলা প্রশাসক ইকনকে এক লাখ টাকা ও বেতনসহ এক মাসের ছুটি দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ইকনের পাশে থাকার আশ্বাস ব্যাংক কর্তৃপক্ষের। খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক আবু হাশেম মিয়া বলেন, ইকনের বাবা মারা যাওয়ায় আমরা শোকাহত। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছি। প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলীর পক্ষ থেকে আমরা ইকনকে আর্থিক সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতেও ইকনের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। এদিকে জেলা প্রশাসক ছাড়াও দেশ-বিদেশের অন
বাগেরহাটে বাবার দাফন শেষে রাতে এটিএম বুথে দায়িত্ব পালন করে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া ইকনকে আর্থিক সহায়তা ও বেতনসহ এক মাসের ছুটি দিয়েছে কৃষি ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে কৃষি ব্যাংকের বাগেরহাট আঞ্চলিক কার্যালয়ে ইকনের হাতে এ অর্থ সহায়তা তুলে দেন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক মো. আবু হাশেম মিয়া।
এসময় কৃষি ব্যাংকের মুখ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক তরিকুল ইসলাম খান, শাখা ব্যবস্থাপক সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংক কর্মকর্তা জগলুল কবিরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইকনকে এক লাখ টাকা ও বেতনসহ এক মাসের ছুটি দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ইকনের পাশে থাকার আশ্বাস ব্যাংক কর্তৃপক্ষের।
খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক আবু হাশেম মিয়া বলেন, ইকনের বাবা মারা যাওয়ায় আমরা শোকাহত। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছি। প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলীর পক্ষ থেকে আমরা ইকনকে আর্থিক সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতেও ইকনের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।
এদিকে জেলা প্রশাসক ছাড়াও দেশ-বিদেশের অনেকেই ইকনের পাশে দাঁড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর থেকে ইকনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ইকনের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানান ইসমাইল ইকন।
ইকন বলেন, ‘বাবা মারা যাওয়ার পরে জীবনটা আরও কঠিন হয়ে গেছে। বাবার শোক, চাকরি ও পরীক্ষা—সবই একসঙ্গে সামলাতে হয়েছে। তবে বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন বড় বড় মানুষ আমার খোঁজ নিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর পিএ আমাকে ফোন দিয়েছেন। আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। জেলা প্রশাসক ডেকে কাছে নিয়েছেন। আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। লতিফ মাস্টার ফাউন্ডেশন আমার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছে। আবার পূর্ণ বেতনে এক মাসের ছুটি দিয়েছে। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।’
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে ইকনের বাবা ইসরাফিল দাড়িয়া (৪৫) অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ভোর ৬টার দিকে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিকেলে বাবার দাফন শেষে রাতেই ইকন কর্মস্থলে ফেরেন। বুধবার (২২ জুলাই) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি।
নাহিদ ফরাজী/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?

