সেফটি ট্যাংকিতে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
পটুয়াখালীর কমলাপুরে চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় নতুন নির্মিত একটি সেফটি ট্যাংকিতে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাথরুমের জন্য নির্মাণ করা নতুন সেফটি ট্যাংকির ভেতরে কাজ করার সময় প্রথমে নূহু অসুস্থ হয়ে ট্যাংকির ভেতরে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করতে নিচে নামেন আশরাফ মোল্লা। এক পর্যায়ে তিনিও ট্যাংকির ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকির একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন। তবে উদ্ধারের আগেই তারা প্রাণ হারায়। স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকির ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত মৃত্যুর কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। তথ্য সংগ্রহের পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ মাহমুদ হাসান রায়হান/এএইচ/এএসএম
পটুয়াখালীর কমলাপুরে চৌদ্দবুড়িয়া এলাকায় নতুন নির্মিত একটি সেফটি ট্যাংকিতে কাজ করতে গিয়ে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- চৌদ্দবুড়িয়া এলাকার শিকদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক ফকিরের ছেলে মোহাম্মদ নূহু (২৫) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ আশরাফ চৌকিদার ওরফে আশরাফ মোল্লা (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাথরুমের জন্য নির্মাণ করা নতুন সেফটি ট্যাংকির ভেতরে কাজ করার সময় প্রথমে নূহু অসুস্থ হয়ে ট্যাংকির ভেতরে পড়ে যান। পরে তাকে উদ্ধার করতে নিচে নামেন আশরাফ মোল্লা। এক পর্যায়ে তিনিও ট্যাংকির ভেতরে অচেতন হয়ে পড়েন।
পরে স্থানীয় লোকজন ট্যাংকির একটি অংশ ভেঙে দুজনকে উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে আসেন। তবে উদ্ধারের আগেই তারা প্রাণ হারায়।
স্থানীয়দের ধারণা, ট্যাংকির ভেতরে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তাদের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত মৃত্যুর কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। তথ্য সংগ্রহের পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মাহমুদ হাসান রায়হান/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?