স্কুলছাত্র ইথান গুলিবিদ্ধের ঘটনায় অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪
কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ঘটনার পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রথমে মূল অভিযুক্তকে বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার এসব তথ্য জানান। ওসি জানান, ঘটনার পরপরই অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান শুরু করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কাটাবিল এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে জামসেদ হোসেন শ্রাবণকে (২২) একটি বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার কর
কুমিল্লা নগরীর কাটাবিল এলাকায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। ঘটনার পর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রথমে মূল অভিযুক্তকে বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার এসব তথ্য জানান।
ওসি জানান, ঘটনার পরপরই অপরাধীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান শুরু করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। অভিযানের অংশ হিসেবে ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কাটাবিল এলাকার জামাল হোসেনের ছেলে জামসেদ হোসেন শ্রাবণকে (২২) একটি বিদেশি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
পরবর্তীতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে একই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন, মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে আসিফ (২৬), মৃত মো. সুলতানের ছেলে আশিক (৩৫) ও মো. ইকবালের ছেলে ইমন (১৯)। গ্রেপ্তারকৃত চারজনের বাড়িই কুমিল্লার কোতোয়ালি থানা এলাকায়।
ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, সমাজে নিরাপত্তা বিঘ্নকারী, মাদক ও অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। স্কুলছাত্র ইথানের ওপর যারা গুলি চালিয়েছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হয়েছে। অস্ত্র ও মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের কঠোর অবস্থান এবং চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?