স্টারমারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে পারেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করতে বলা ও তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে চার মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনায় উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। বিবিসি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাকে যেকোনো সময় চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েজ স্ট্রিটিং। আর স্টারমার বলছেন, নেতৃত্ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হলে পার্টির অভ্যন্তরে ‘অরাজকতা’ সৃষ্টি করতে পারে। বৃহস্পতিবার বিবিসি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের স্থানীয় কাউন্সিল, ওয়েলসের সেনেড এবং স্কটল্যান্ড পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইতোমধ্যে চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং বহু এমপি স্টারমারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। স্টারমার তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে যুক্তি দিচ্ছেন, নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে তা সরকারকে অচল করে দেবে এবং দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। তবে একই সঙ্গে দলীয় ভেতরে একাংশ এমপি মনে করছেন, তিনি নেতৃত্বে থাকলে নির্বাচনী ব্যর্থতা অব্যাহত থাকতে পারে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েজ স্ট্রিটিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়ে
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগের জন্য সময় নির্ধারণ করতে বলা ও তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে চার মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনায় উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। বিবিসি জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে তাকে যেকোনো সময় চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েজ স্ট্রিটিং। আর স্টারমার বলছেন, নেতৃত্ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হলে পার্টির অভ্যন্তরে ‘অরাজকতা’ সৃষ্টি করতে পারে।
বৃহস্পতিবার বিবিসি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের স্থানীয় কাউন্সিল, ওয়েলসের সেনেড এবং স্কটল্যান্ড পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় ধরনের পরাজয়ের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইতোমধ্যে চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং বহু এমপি স্টারমারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। স্টারমার তার ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে যুক্তি দিচ্ছেন, নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে তা সরকারকে অচল করে দেবে এবং দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে। তবে একই সঙ্গে দলীয় ভেতরে একাংশ এমপি মনে করছেন, তিনি নেতৃত্বে থাকলে নির্বাচনী ব্যর্থতা অব্যাহত থাকতে পারে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েজ স্ট্রিটিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে স্টারমারের। তবে পরিস্থিতি এমন দিকে যাচ্ছে, বৈঠকটি ভেস্তে যেতে পারে। কেননা, স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো ধারণা করছে, তিনি আজই স্টারমারের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের লড়াইয়ে নামার ঘোষণা দিতে পারেন।
স্ট্রিটিং যদি লড়াইয়ে নামেন, দলীয় নিয়ম অনুযায়ী নেতৃত্ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করতে হলে তাকে অন্তত ৮১ জন লেবার এমপির সমর্থন প্রয়োজন হবে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার তার পার্টিকে সতর্ক করে বলেছেন লেবার পার্টির ভেতরে নেতৃত্ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হলে তা অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে।
অন্যদিকে, দলটির সম্ভাব্য নেতৃত্বপ্রত্যাশীরা এখন চেষ্টা করছেন নিজেদের আলাদা রাজনৈতিক কর্মসূচি তুলে ধরতে, যাতে তারা এমপিদের পাশাপাশি দলীয় সদস্যদের সমর্থন অর্জন করতে পারেন এবং স্টারমারের চেয়ে জনপ্রিয় বিকল্প হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ২৪ ঘণ্টা লেবার পার্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন ওয়েজ স্ট্রিটিং, যে তিনি সত্যিই নেতৃত্বের লড়াইয়ে নামবেন কি না।
What's Your Reaction?