স্ট্রাইকিং ফোর্সে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে হিউম্যানহলার গাড়ি দিয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্সের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ নিয়ে ভোটারদের মাঝে উৎকণ্ঠার শেষ নেই। ভোটকেন্দ্র ও বাইরের নিরাপত্তায় এসব লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি দিয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্সের সদস্যরা দায়িত্বপালন করছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীব গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে উন্নতমানের গাড়ির প্রয়োজন ছিল।  জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডিসি ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগরে পক্ষ থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে অধিক সংখ্যক গাড়ি রিকুইজিশন করা হয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই যাত্রী পরিবহন যোগ্য। ব্যক্তিগত হাইএস, মাইক্রোবাস স্ট্রাইকিং ফোর্সের জন্য বরাদ্দ হয়নি। তাছাড়া সিএমপির থানাগুলোতে লক্কড়ঝক্কড় যাত্রীবাহী হিউম্যানহলার গাড়ি দিয়ে টহল টিম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটারদের অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে স্ট্রাইকিং ফোর্সের অনেক সময় লাগবে। চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় ১৬টি সংসদীয় আসন মিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, নৌব

স্ট্রাইকিং ফোর্সে লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি!

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে হিউম্যানহলার গাড়ি দিয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্সের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ নিয়ে ভোটারদের মাঝে উৎকণ্ঠার শেষ নেই। ভোটকেন্দ্র ও বাইরের নিরাপত্তায় এসব লক্কড়ঝক্কড় গাড়ি দিয়ে স্ট্রাইকিং ফোর্সের সদস্যরা দায়িত্বপালন করছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীব গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে উন্নতমানের গাড়ির প্রয়োজন ছিল। 

জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ডিসি ট্রাফিক বিভাগ ও জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগরে পক্ষ থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে অধিক সংখ্যক গাড়ি রিকুইজিশন করা হয়েছে। এগুলোর বেশিরভাগই যাত্রী পরিবহন যোগ্য। ব্যক্তিগত হাইএস, মাইক্রোবাস স্ট্রাইকিং ফোর্সের জন্য বরাদ্দ হয়নি। তাছাড়া সিএমপির থানাগুলোতে লক্কড়ঝক্কড় যাত্রীবাহী হিউম্যানহলার গাড়ি দিয়ে টহল টিম কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ভোটারদের অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে স্ট্রাইকিং ফোর্সের অনেক সময় লাগবে।

চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় ১৬টি সংসদীয় আসন মিলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ৪০ হাজার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, এপিবিএন, বিজিবি, আনসার, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ডের সদস্যরা রয়েছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে কাজ করছেন তারা। তবে ভোটগ্রহণের দুদিন আগে এসে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে কাজ করবেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টহল টিমের তদারকিতে রয়েছেন। নগরী এবং জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। স্ট্রাইকিং ফোর্সের ব্যবহৃত গাড়িগুলো লক্কড়ঝক্কড়। ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিন নিয়ে এসব গাড়ি সড়কে চলাচল করছে। কচ্ছপ গতিতে চলছে এসব যানবাহন। ফলে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে অনেক সময় ব্যয় হবে।

ভাড়ায় চালিত রেন্ট এ কারের একাধিক মালিক ও চালকরা জানান, নির্বাচন কেন্দ্রিক হাইএস মাইক্রোবাস রিকুইজিশন করা হচ্ছে। এসকল গাড়ি দিয়ে পুলিশ সদস্যদের জেলা-উপজেলায় পৌঁছানো হয়। আবার গাড়ি রিকুইজিশনের গাড়ি জব্দে বানিজ্যের চর্চাও রয়েছে। 

আবদুর রহিম নামের এক চালক অভিযোগ করে বলেন, গাড়ি জব্দের নিয়মানুযায়ী সরকারি বরাদ্দ পাওয়া যায় না। ইচ্ছেমতো গাড়ি ব্যবহার করতে বাধ্য করা হয়। এছাড়া গাড়ির সরঞ্জামাদি নষ্ট হলে কোনো ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না। সব দায় মালিককে বহন করতে হয়।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) আমিনুর রশীদ বলেন, ‘মহানগরী ও জেলা মিলিয়ে পুলিশ, র‌্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবিসহ ৪০ হাজারের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন আছে। এর মধ্যে মহানগরীতে ৫ হাজার ২৬৫ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশের চেকপোস্টের কার্যক্রম চালু আছে। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাসহ সমন্বিতভাবে টহল কার্যক্রমও চলছে।

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খান বলেন, সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশে ভোটগ্রহণের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলায় সাড়ে চার হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মাঠে কাজ করছে। আমাদের মোবাইল টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স, পেট্রল টিম, ডিবি ও সাদা পোশাকের পুলিশ আছে। ডিজিটাল সিকিউরিটি সিস্টেমে কাজ হবে। পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরার পাশাপাশি কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আমাদের ফোর্সের মনোবল অটুট আছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow