স্ত্রী-সন্তান বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামীর মৃত্যু
মাগুরার শালিখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সন্তান ও স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে অপূর্ব বিশ্বাস (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে উপজেলা সদর আড়পাড়া ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অপূর্ব বিশ্বাস শালিখা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের মৃত অমাল বিশ্বাসের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার ভোর ৫টার দিকে স্ত্রী দিপা বিশ্বাস তার দেড় বছরের শিশুকে কোলে নিয়ে নিজ বাড়ির ওপরের একটি জিআই তারে কাপড় শুকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছিটকে পড়েন। পরে তার চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে আসেন অপূর্ব। এসময় স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, খবরটি শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে পরিবারে পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। এদিকে স্ত্রী, মা ও সন্তানসহ পরিবারের তিন সদস্যের একমাত্র উপার্জনক্ষম অপূর্বের অকাল মৃত্যুতে পরিবারটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/কেজে/জেআইএম
মাগুরার শালিখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট সন্তান ও স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে অপূর্ব বিশ্বাস (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) সকালে উপজেলা সদর আড়পাড়া ইউনিয়নের পুকুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অপূর্ব বিশ্বাস শালিখা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের মৃত অমাল বিশ্বাসের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার ভোর ৫টার দিকে স্ত্রী দিপা বিশ্বাস তার দেড় বছরের শিশুকে কোলে নিয়ে নিজ বাড়ির ওপরের একটি জিআই তারে কাপড় শুকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছিটকে পড়েন। পরে তার চিৎকার শুনে ঘুম থেকে উঠে আসেন অপূর্ব। এসময় স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেই বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।
পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে শালিখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান বলেন, খবরটি শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে পরিবারে পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।
এদিকে স্ত্রী, মা ও সন্তানসহ পরিবারের তিন সদস্যের একমাত্র উপার্জনক্ষম অপূর্বের অকাল মৃত্যুতে পরিবারটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
মো. মিনারুল ইসলাম জুয়েল/কেজে/জেআইএম
What's Your Reaction?