স্ত্রীকে নির্যাতনের পর চুল কর্তন, অভিযুক্ত স্বামী গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতন, মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলামকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নরসিংদী জেলার সদর মডেল থানার খালপাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দ্বীন ইসলাম উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর এলাকার ইসহাক মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে যৌতুকের টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে স্ত্রী দ্বীন ইসলামের নির্যাতনের শিকার হন। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূকে মারধর এবং মাথার চুল কেটে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এ ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আখাউড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়। মামলার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফের নির্দেশনায় এবং আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলামের তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ। এসআই মো. সামছুল হকের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নরসিংদী থেকে আসামিকে গ্রেপ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতন, মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি দ্বীন ইসলামকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৬ মে) রাত সাড়ে ১২টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নরসিংদী জেলার সদর মডেল থানার খালপাড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দ্বীন ইসলাম উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের রামধননগর এলাকার ইসহাক মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ মে যৌতুকের টাকার দাবিকে কেন্দ্র করে স্ত্রী দ্বীন ইসলামের নির্যাতনের শিকার হন। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূকে মারধর এবং মাথার চুল কেটে রক্তাক্ত জখম করা হয়। এ ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আখাউড়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করা হয়।
মামলার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফের নির্দেশনায় এবং আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাবেদ উল ইসলামের তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযানে নামে পুলিশ। এসআই মো. সামছুল হকের নেতৃত্বে একটি দল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নরসিংদী থেকে আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
আখাউড়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে নরসিংদী থেকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এদিকে, এমন বর্বরোচিত নির্যাতনের ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকাবাসী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
What's Your Reaction?