স্পন্সর নেই, ফেডারেশন বলছে এটা তাদের সাফল্য!

‘মাদার অব স্পোর্টস’র ঘরোয়া আয়োজনের সবচেয়ে বড় আসর জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। রোববার জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নশিপের ৪৯তম আসর শুরু হতে যাচ্ছে কোনো স্পন্সর ছাড়াই। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য স্পন্সর সংগ্রহ করতে পারেনি। তবে এটাকে নিজেদের সাফল্য হিসেবেই উল্লেখ করেছেন সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ফেডারেশন। সেখানে বেশি আলোচনা হয়েছে স্পন্সর আনতে না পারা নিয়ে। ৪৫টি সংস্থার ৪১০ অ্যাথলেট অংশ নেবেন এই প্রতিযোগিতায়। স্পন্সর না থাকা নিয়ে ফেডারেশনের মধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ২০২৪ সালে অ্যাডহক কমিটি গঠন করার পর সব টুর্নামেন্টই আয়োজিত হয়েছে স্পন্সর ছাড়া। একের পর এক জাতীয় আসর করপোরেট সহযোগিতা ছাড়া কেন আয়োজন করতে হচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বীকার করেন যে, তারা কোনো স্পন্সর আনতে পারেননি। তবে স্পন্সর না থাকায় নিজস্ব তহবিল ও আন্তর্জাতিক অনুদান দিয়ে ফেডারেশন টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে। স্পন্সরহীনতায় টুর্নামেন্ট আয়োজন করাকে

স্পন্সর নেই, ফেডারেশন বলছে এটা তাদের সাফল্য!

‘মাদার অব স্পোর্টস’র ঘরোয়া আয়োজনের সবচেয়ে বড় আসর জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ। রোববার জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়নশিপের ৪৯তম আসর শুরু হতে যাচ্ছে কোনো স্পন্সর ছাড়াই। বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য স্পন্সর সংগ্রহ করতে পারেনি। তবে এটাকে নিজেদের সাফল্য হিসেবেই উল্লেখ করেছেন সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম।

জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ফেডারেশন। সেখানে বেশি আলোচনা হয়েছে স্পন্সর আনতে না পারা নিয়ে। ৪৫টি সংস্থার ৪১০ অ্যাথলেট অংশ নেবেন এই প্রতিযোগিতায়। স্পন্সর না থাকা নিয়ে ফেডারেশনের মধ্যেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

২০২৪ সালে অ্যাডহক কমিটি গঠন করার পর সব টুর্নামেন্টই আয়োজিত হয়েছে স্পন্সর ছাড়া। একের পর এক জাতীয় আসর করপোরেট সহযোগিতা ছাড়া কেন আয়োজন করতে হচ্ছে- সাংবাদিকদের এমন তীক্ষ্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম স্বীকার করেন যে, তারা কোনো স্পন্সর আনতে পারেননি।

তবে স্পন্সর না থাকায় নিজস্ব তহবিল ও আন্তর্জাতিক অনুদান দিয়ে ফেডারেশন টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে। স্পন্সরহীনতায় টুর্নামেন্ট আয়োজন করাকে বিস্ময়করভাবে নিজেদের সাফল্য হিসেবে দাবি করেন অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম।

সাধারণ সম্পাদকের দেওয়া তথ্যমতে, আইএএফ (বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স) থেকে ফেডারেশন ৯৬ লাখ টাকা পেয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকেও প্রায় সমপরিমান অর্থ পেয়েছে। আগের কিছু ফান্ডও ছিল। সাধারণ সম্পাদক নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে বলেন, ‘আমাদের একটু কৃতিত্ব দেবেন যে, আমরা স্পন্সর ছাড়াও ফান্ড ধরে রেখে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’

এক আসর বিরতি দিয়ে জাতীয় অ্যাথলেটিকসে এবার খেলবেন লন্ডন প্রবাসী অ্যাথলেট ইমরানুর রহমান। এবারের আসরে ব্যক্তিগত রেকর্ডধারী অ্যাথলেটকে ২০ হাজার টাকা করা দেবে ফেডারেশন। এছাড়া ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারীদের যথাক্রমে ৫ হাজার, ৩ হাজার ও ২ হাজার টাকা দেওয়া হবে।

আরআই/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow