স্বজনদের নিথর দেহ নিয়ে দেশে ফিরছেন অয়ন

রোমের কাসেলোত্তিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া প্রবাসী কামাল হোসেন, তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। শোকে পাথর হয়ে যাওয়া স্বজনদের নিথর দেহগুলোকে দেশে নিয়ে আসতে এক বুক কষ্ট আর ভারী দায়িত্ব চেপে বসেছে একমাত্র বেঁচে যাওয়া ছেলে অয়নের কাঁধে। বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক বার্তায় নিজের হৃদয়ের এই চরম কষ্টের আকুতি প্রকাশ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভাবাবেগপূর্ণ স্ট্যাটাসে কামাল হোসেনের ছেলে অয়ন লেখেন, ‘আজকের এই যাত্রা আনন্দের নয়, প্রিয় মানুষদের নিথর দেহটাকে দেশে ফিরিয়ে আনার এক ভারী দায়িত্বের যাত্রা। ইনশাআল্লাহ সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ সময় রাত ৮:৩০ মিনিটে বিমান ল্যান্ড করবে। সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন সহি সালামতে দেশে পৌঁছায়। আল্লাহ আমাকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য দেন এবং আব্বু, আম্মু আর আরুকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।’ উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইতালির রোমের কাসেলোত্তি এলাকায় বাংলাদেশি প্রবাসী কামাল হোসেন, তার স্ত্রী ও একমাত্র মেয়ে আরুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। মর্মান্তিক এই ট্র্যাজেডি স্থানীয় ইতালিপ্রবাসী বাংলাদেশি সমাজসহ পুরো দেশে শোকের ছায়া ফেল

স্বজনদের নিথর দেহ নিয়ে দেশে ফিরছেন অয়ন

রোমের কাসেলোত্তিতে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া প্রবাসী কামাল হোসেন, তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। শোকে পাথর হয়ে যাওয়া স্বজনদের নিথর দেহগুলোকে দেশে নিয়ে আসতে এক বুক কষ্ট আর ভারী দায়িত্ব চেপে বসেছে একমাত্র বেঁচে যাওয়া ছেলে অয়নের কাঁধে।

বৃহস্পতিবার এক ফেসবুক বার্তায় নিজের হৃদয়ের এই চরম কষ্টের আকুতি প্রকাশ করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভাবাবেগপূর্ণ স্ট্যাটাসে কামাল হোসেনের ছেলে অয়ন লেখেন, ‘আজকের এই যাত্রা আনন্দের নয়, প্রিয় মানুষদের নিথর দেহটাকে দেশে ফিরিয়ে আনার এক ভারী দায়িত্বের যাত্রা। ইনশাআল্লাহ সবকিছু ঠিক থাকলে বাংলাদেশ সময় রাত ৮:৩০ মিনিটে বিমান ল্যান্ড করবে। সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন সহি সালামতে দেশে পৌঁছায়। আল্লাহ আমাকে এই কঠিন সময়ে ধৈর্য দেন এবং আব্বু, আম্মু আর আরুকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইতালির রোমের কাসেলোত্তি এলাকায় বাংলাদেশি প্রবাসী কামাল হোসেন, তার স্ত্রী ও একমাত্র মেয়ে আরুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। মর্মান্তিক এই ট্র্যাজেডি স্থানীয় ইতালিপ্রবাসী বাংলাদেশি সমাজসহ পুরো দেশে শোকের ছায়া ফেলে দেয়।

স্বজনদের মরদেহ বহনকারী ফ্লাইটটি নির্ধারিত সময়ে ঢাকার বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। পরে তাদের লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে পারিবারিক জানাজা ও দাফনের উদ্দেশ্যে। ধামরাই ও নিজ গ্রামে এখন শুধুই প্রিয়জনদের শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষা ও শোকাচ্ছন্ন পরিবেশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow