স্বর্ণের দোকানে কারিগরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
চাঁদপুরের হাইমচর সদরে আলগী বাজারের একটি সোনার দোকান থেকে বিজয় ঘোষ (৪৫) নামের এক কারিগরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বাজারের আলিফ গোল্ড মার্কেটের ‘নিউ মাতৃ শিল্পালয়’ নামে দোকান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত বিজয় ঘোষ মতলব উত্তর উপজেলার নায়েরগাঁও এলাকার জহর লাল চন্দ্র ঘোষের ছেলে। তিনি দুই বছর ধরে ওই দোকানে স্বর্ণের কারিগর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং দোকানের ভেতরেই রাতযাপন করতেন। স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই রাত ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে মালিকপক্ষ বাড়ি চলে যান। শুক্রবার দোকানটি সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় বিজয় ঘোষ ভেতরেই ছিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দোকানের যৌথ মালিক ও নিহতের শ্যালক বিকম চন্দ্র ঘোষ (মধু) দোকান খুলতে এসে শাটার খোলা ও কেচি গেটের তালা বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিকল্প চাবি দিয়ে ভেতরে ঢুকে তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বিজয় ঘোষের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। জানা যায়, তার চিৎকারে বাজারের লোকজন ছুটে আসে এবং থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে হাইমচর থানার এএসআই হান্নান সঙ্গীয় ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ
চাঁদপুরের হাইমচর সদরে আলগী বাজারের একটি সোনার দোকান থেকে বিজয় ঘোষ (৪৫) নামের এক কারিগরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বাজারের আলিফ গোল্ড মার্কেটের ‘নিউ মাতৃ শিল্পালয়’ নামে দোকান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত বিজয় ঘোষ মতলব উত্তর উপজেলার নায়েরগাঁও এলাকার জহর লাল চন্দ্র ঘোষের ছেলে। তিনি দুই বছর ধরে ওই দোকানে স্বর্ণের কারিগর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং দোকানের ভেতরেই রাতযাপন করতেন।
স্থানীয় ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুলাই রাত ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে মালিকপক্ষ বাড়ি চলে যান। শুক্রবার দোকানটি সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় বিজয় ঘোষ ভেতরেই ছিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দোকানের যৌথ মালিক ও নিহতের শ্যালক বিকম চন্দ্র ঘোষ (মধু) দোকান খুলতে এসে শাটার খোলা ও কেচি গেটের তালা বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিকল্প চাবি দিয়ে ভেতরে ঢুকে তিনি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বিজয় ঘোষের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
জানা যায়, তার চিৎকারে বাজারের লোকজন ছুটে আসে এবং থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে হাইমচর থানার এএসআই হান্নান সঙ্গীয় ফোর্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন। পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের শ্যালক বিকম ঘোষ জানান, ‘পারিবারিক বা দোকানের কারও সঙ্গে তার কোনো বিরোধ ছিল না। তবে শুনেছি, গত পরশু রাতে তিনি মোবাইল ফোনে কারও সঙ্গে প্রচণ্ড চিল্লাচিল্লি করেছিলেন। ঠিক কী নিয়ে এই ঘটনা ঘটল, তা বুঝতে পারছি না।’
এ বিষয়ে হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুল হাসান জানান, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
What's Your Reaction?