স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে কখনো দমিয়ে রাখা যায় না: আসিফ মাহমুদ
২৫শে মার্চের কালোরাত আমাদের শিখিয়েছে দমন-পীড়ন যতই নির্মম হোক, একটি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে কখনো দমিয়ে রাখা যায় না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। আসিফ মাহমুদ বলেন, ২৫ মার্চ, ১৯৭১। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াল, অন্ধকার রাত। এই রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে। ঘুমন্ত মানুষ, নিরপরাধ ছাত্র, শিক্ষক, সাধারণ পরিবার- কেউ রক্ষা পায়নি সেই বর্বরতার হাত থেকে। ঢাকার আকাশে আগুন জ্বলছিল, আর মাটিতে লুটিয়ে পড়ছিল অসংখ্য প্রাণ। তিনি বলেন, কিন্তু ইতিহাসের এই অন্ধকার আমাদের শেষ করে দিতে পারেনি। বরং এই কালো রাতই বাংলাদেশের মানুষকে জাগিয়ে তুলেছিল। আমরা ভয় পাইনি, মাথা নত করিনি। বরং সেই রাতের পরই এই দেশের মানুষ দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েই স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে হবে। এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ২৫ মার্চ তাই শুধু শোকের দিন নয়, এটি আমাদের জাগরণের দিন। ২৫
২৫শে মার্চের কালোরাত আমাদের শিখিয়েছে দমন-পীড়ন যতই নির্মম হোক, একটি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে কখনো দমিয়ে রাখা যায় না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ২৫ মার্চ, ১৯৭১। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াল, অন্ধকার রাত। এই রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে। ঘুমন্ত মানুষ, নিরপরাধ ছাত্র, শিক্ষক, সাধারণ পরিবার- কেউ রক্ষা পায়নি সেই বর্বরতার হাত থেকে। ঢাকার আকাশে আগুন জ্বলছিল, আর মাটিতে লুটিয়ে পড়ছিল অসংখ্য প্রাণ।
তিনি বলেন, কিন্তু ইতিহাসের এই অন্ধকার আমাদের শেষ করে দিতে পারেনি। বরং এই কালো রাতই বাংলাদেশের মানুষকে জাগিয়ে তুলেছিল। আমরা ভয় পাইনি, মাথা নত করিনি। বরং সেই রাতের পরই এই দেশের মানুষ দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েই স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে হবে।
এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ২৫ মার্চ তাই শুধু শোকের দিন নয়, এটি আমাদের জাগরণের দিন। ২৫ শে মার্চের কালোরাত আমাদের শিখিয়েছে দমন-পীড়ন যতই নির্মম হোক, একটি জাতির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে কখনো দমিয়ে রাখা যায় না। সেই শিক্ষা আমরা আমাদের ইতিহাসে বারবার দেখেছি। সাম্প্রতিক সময়েও ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন, জুলাইয়ের নির্মম গণহত্যা এবং তার বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা গণঅভ্যুত্থানে আমরা সেই সত্য আবার প্রত্যক্ষ করেছি।
তিনি বলেন, আজও ২৫ মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয় অন্যায়ের শক্তি যত বড়ই হোক, মানুষের স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা তার থেকেও বড়। শহিদদের সেই আত্মত্যাগের চেতনা নিয়েই আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাব।
আজকের এইদিনে ২৫ শে মার্চ কালোরাতে শহীদ, নির্যাতিত পরিবার এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এনসিপির মুখপাত্র।
What's Your Reaction?