স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে প্রচার শুরু ঢাকা-১৯ আসনের এনসিপি প্রার্থীর
ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন এনসিপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী দিলশানা পারুল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুল দেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের নির্বাচনি অবস্থান ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এই প্রার্থী। দিলশানা পারুল বলেন, জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, জুলাইয়ে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছেন- তাদের সবাইকে আমরা স্মরণ করেছি। আজ শ্রদ্ধাভরে আমি স্মরণ করতে চাই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য ১৯৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের। একইসঙ্গে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই জুলাই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সকল মহান আত্মাদের। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালেই জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপিকে সমর্থন দিয়ে সরে যাওয়া জামায়াত নেতা আফজাল হোসেনের দোয়া নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন তিনি। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে এবং আফজাল হোসেন একজন বিজ্ঞ ও শ্রদ্ধাশীল নেতা হিসেবে সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাপক
ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন এনসিপি-জামায়াত জোটের প্রার্থী দিলশানা পারুল। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ফুল দেন তিনি।
এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের নির্বাচনি অবস্থান ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এই প্রার্থী।
দিলশানা পারুল বলেন, জুলাইয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, জুলাইয়ে যারা আত্মাহুতি দিয়েছেন, জুলাইয়ে যারা আহত হয়েছেন- তাদের সবাইকে আমরা স্মরণ করেছি। আজ শ্রদ্ধাভরে আমি স্মরণ করতে চাই বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য ১৯৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের। একইসঙ্গে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই জুলাই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সকল মহান আত্মাদের।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালেই জোটের প্রার্থী হিসেবে এনসিপিকে সমর্থন দিয়ে সরে যাওয়া জামায়াত নেতা আফজাল হোসেনের দোয়া নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন তিনি।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে এবং আফজাল হোসেন একজন বিজ্ঞ ও শ্রদ্ধাশীল নেতা হিসেবে সাভার-আশুলিয়ায় ব্যাপকভাবে পরিচিত। তার দোয়া নিয়েই মাঠে নামাকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছেন।
সাভার ও আশুলিয়ায় যে সন্ত্রাস, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি চলছে, তা বন্ধ করাই হবে আমার প্রথম ম্যান্ডেট। নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে কাজ শুরু করবো- বলেন তিনি।
তার দ্বিতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন রাস্তাঘাটের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি। পাশাপাশি জামগড়সহ চলাচলের অনুপযোগী সড়কগুলো সংস্কার করাকেও তিনি অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেট হিসেবে উল্লেখ করেন। বংশী ও তুরাগ নদীর দূষণ নিয়েও কথা বলেন দিলশানা পারুল।
শিল্পাঞ্চল হিসেবে সাভার-আশুলিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এলাকাটিকে শ্রমিকবান্ধব ও ব্যবসাবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
নিজের নির্বাচনি সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, মাঠে নামার পর জনগণের সাড়া তাকে আশাবাদী করেছে। বিশেষ করে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রচারণায় মানুষের আগ্রহ ও পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এছাড়া সাভার-আশুলিয়ার সংসদীয় আসনে প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে নারী ভোটারদের কাছ থেকে যে সাড়া পেয়েছেন, তা তাকে বাড়তি অনুপ্রেরণা দিচ্ছে বলেও জানান দিলশানা পারুল। তার সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মাহফুজুর রহমান নিপু/এফএ/এমএস
What's Your Reaction?