হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১ শতাংশ রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের

সৌদি সরকারকে ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের সৌদি দূতাবাসে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আরও মজবুত ও সুসংহত করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এর আগে ধর্মমন্ত্রী সৌদি দূতাবাসে পৌঁছালে রাষ্ট্রদূত তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ বৈঠকে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে ধর্মমন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন দুই শতাংশ নির্ধারণ করেছে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। এতে হজের খরচ বাড়বে। এ কারণে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ২০২৬ সালের হজের ন্যায় ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ করেন ধর্মমন্ত্রী। সৌদি রাষ্ট্রদূত জানান, এ সংক্রান্ত ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি আধাসরকারি পত্র তিনি গতকাল (রোববার) হাতে পেয়েছেন এবং তা সুপারিশসহ সৌদি সরকারকে পাঠিয়েছেন। তিনি এ বছর বাংলাদেশের হজ ব

হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১ শতাংশ রাখার অনুরোধ বাংলাদেশের
সৌদি সরকারকে ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখতে অনুরোধ জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের সৌদি দূতাবাসে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আরও মজবুত ও সুসংহত করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এর আগে ধর্মমন্ত্রী সৌদি দূতাবাসে পৌঁছালে রাষ্ট্রদূত তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ বৈঠকে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলে ধর্মমন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের হজে ব্যাকঅ্যাপ আবাসন দুই শতাংশ নির্ধারণ করেছে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। এতে হজের খরচ বাড়বে। এ কারণে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকঅ্যাপ আবাসন ২০২৬ সালের হজের ন্যায় ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ করেন ধর্মমন্ত্রী। সৌদি রাষ্ট্রদূত জানান, এ সংক্রান্ত ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি আধাসরকারি পত্র তিনি গতকাল (রোববার) হাতে পেয়েছেন এবং তা সুপারিশসহ সৌদি সরকারকে পাঠিয়েছেন। তিনি এ বছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।  এ ছাড়া দ্বিপক্ষীয় যে কোনো বিষয়ে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ত্বরিত পদক্ষেপের জন্য সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ আধাসরকারি পত্রে ক্যাটারিং ঐচ্ছিক রাখা এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ ‘ডি’-এর মূল্যমানের অনুরূপ সার্ভিস প্যাকেজ-৩-এর সেবামূল্য নির্ধারণের কথা উল্লেখ রয়েছে। ধর্মমন্ত্রী এ বছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূতের অসামান্য ভূমিকার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মসৃণ করার জন্য সৌদি সরকারকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow