হঠাৎ আমেরিকার সঙ্গে ‘চুক্তি’ করতে চায় কিউবা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘চুক্তি’ করতে আগ্রহী এবং এটি খুব দ্রুত হতে পারে। রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, কিউবাও একটি চুক্তি করতে চায়। আমি মনে করি খুব শিগগিরই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব। তিনি জানান, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরান ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সেটি সামাল দেওয়ার পর কিউবার দিকে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হবে। ট্রাম্প বলেন, আমরা কিউবার সঙ্গে আলোচনা করছি। তবে আগে ইরান নিয়ে কিছু বিষয় সমাধান করতে হবে। এরপর কিউবার বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতি হতে পারে। এদিকে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল জানিয়েছেন, তাদের সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মতপার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেছে। তবে আলোচনার বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর তেল অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে দেশটির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দেয়। এর আগে থেকেই কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অবরোধ রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরো সরকারের পতনের পর থেকেই কিউবা ইস্যুতে আরও কঠোর
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ‘চুক্তি’ করতে আগ্রহী এবং এটি খুব দ্রুত হতে পারে।
রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, কিউবাও একটি চুক্তি করতে চায়। আমি মনে করি খুব শিগগিরই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারব।
তিনি জানান, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরান ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সেটি সামাল দেওয়ার পর কিউবার দিকে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হবে।
ট্রাম্প বলেন, আমরা কিউবার সঙ্গে আলোচনা করছি। তবে আগে ইরান নিয়ে কিছু বিষয় সমাধান করতে হবে। এরপর কিউবার বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতি হতে পারে।
এদিকে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল জানিয়েছেন, তাদের সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মতপার্থক্য নিয়ে আলোচনা করেছে। তবে আলোচনার বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর তেল অবরোধ আরোপ করে, যার ফলে দেশটির জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দেয়।
এর আগে থেকেই কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অবরোধ রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলায় নিকোলাস মাদুরো সরকারের পতনের পর থেকেই কিউবা ইস্যুতে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছে ওয়াশিংটন।
সূত্র : এএফপি
What's Your Reaction?