হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করলো ইরান

হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল ঘোষণা করেছে ইরান। সোমবার (৪ মে) ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই অঞ্চলের সীমানা নির্ধারণ করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তারা নতুন একটি সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ এলাকা ঘোষণা করেছে। বিবৃতি অনুযায়ী, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর স্মার্ট কন্ট্রোল জোনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দক্ষিণের অংশে ইরানের মাউন্ট মোবারক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহর দক্ষিণ অংশ পর্যন্ত একটি রেখা টানা হয়েছে। আর পশ্চিমে ইরানের কেশম দ্বীপের শেষ প্রান্ত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে প্রজেক্ট ফ্রিডম নামের অভিযান চালিয়ে আটকে পড়া জাহাজগুলোকেমুক্ত করতে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযানে ১৫ হাজার মার্কিন সেনা, ডেস্ট্রয়ার জাহাজ, বহুমাত্রিক মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম (ড্রোন) এবং ১০০’র বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হ

হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করলো ইরান

হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ অঞ্চল ঘোষণা করেছে ইরান। সোমবার (৪ মে) ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই অঞ্চলের সীমানা নির্ধারণ করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে।

আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তারা নতুন একটি সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ এলাকা ঘোষণা করেছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর স্মার্ট কন্ট্রোল জোনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দক্ষিণের অংশে ইরানের মাউন্ট মোবারক থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহর দক্ষিণ অংশ পর্যন্ত একটি রেখা টানা হয়েছে। আর পশ্চিমে ইরানের কেশম দ্বীপের শেষ প্রান্ত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে প্রজেক্ট ফ্রিডম নামের অভিযান চালিয়ে আটকে পড়া জাহাজগুলোকেমুক্ত করতে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র। এই অভিযানে ১৫ হাজার মার্কিন সেনা, ডেস্ট্রয়ার জাহাজ, বহুমাত্রিক মানববিহীন প্ল্যাটফর্ম (ড্রোন) এবং ১০০’র বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিবাদে ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান।

এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌ-অবরোধ আরোপ করা হয়। এরপর আরেক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প।

ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি

কেএম 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow