হরিপুর সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধা
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্ত দিয়ে গভীর রাতে শিশুসহ ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির সতর্কতা ও কঠোর নজরদারিতে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)। শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের(৪২ বিজিবি) আওতাধীন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দিনাজপুর ৪২ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে বিজিবি সদস্যরা সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় ভারতের অভ্যন্তর থেকে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশুসহ মোট ১১ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবি জানায়, গত ৬ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও বিওপি এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩৪৯/৭-এস এর কাছে ভারতের অভ্যন্তর থেকে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশুসহ মোট ১১ জন ব্যক্তিকে বিএসএফ বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবি’র একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তা
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্ত দিয়ে গভীর রাতে শিশুসহ ১১ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবির সতর্কতা ও কঠোর নজরদারিতে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের(৪২ বিজিবি) আওতাধীন ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
দিনাজপুর ৪২ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির অংশ হিসেবে বিজিবি সদস্যরা সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করেন। এ সময় ভারতের অভ্যন্তর থেকে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশুসহ মোট ১১ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়।
বিজিবি জানায়, গত ৬ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও বিওপি এলাকায় সীমান্ত পিলার ৩৪৯/৭-এস এর কাছে ভারতের অভ্যন্তর থেকে ৩ জন পুরুষ, ৪ জন নারী ও ৪ জন শিশুসহ মোট ১১ জন ব্যক্তিকে বিএসএফ বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবি’র একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেয়।
বিজিবির উপস্থিতি ও কঠোর অবস্থানের কারণে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। বর্তমানে তারা ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে প্রায় ৫০ গজ অভ্যন্তরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তিরা জানান, তারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দমদম এলাকায় বসবাস করতেন। গত ২৬ মে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের হেফাজতে নেয় এবং একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখে, যেখানে আরও প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ জন অবস্থান করছিলেন। পরে তাদের বিভিন্ন দলে ভাগ করে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তাদের দাবি, পুলিশের একটি গাড়িতে করে ৮৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বহরগাঁও ক্যাম্পে নেওয়ার পর একদিন সেখানে রাখা হয়। পরে ৬ জুন রাতের দিকে সীমান্তের দিকে পাঠানো হলে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।
এ বিষয়ে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক চলমান রয়েছে।
What's Your Reaction?