হাওর রক্ষায় সরকারকে মেগা প্রকল্প করতে হবে : শিশির মনির
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, ‘সুনামগঞ্জের ভাটি অঞ্চলের সবকটি হাওরের একই অবস্থা। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে, সরকারকে মেগা প্রকল্পে হাত দিতে হবে। এই মেগা প্রকল্প কেবল দুই চার কোটি টাকার বিষয় নয়। প্রয়োজন হলে ৫শ ১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প লাগবে।’ তিনি বলেন, এখানে খাল, বিল, নদী খনন করতে হবে। পানি থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। পানি যেটা আসবে, সেটা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। যথেষ্ট সুইচগেট করতে হবে। একটা হওর থেকে আরেকটা হাওর আলাদা করতে হবে। এবং আমি যেগুলো বলছি এগুলো আমার ইনস্ট্যান্ট বুদ্ধির কথা। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার ডাকলে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এসমস্ত হাওর আছে। ধান চাষ প্রকল্প আছে, তাদেরকে ডেকে, বসে প্রকৃত সমাধান করতে পারেন, তবেই আমি মনে করবো কৃষকদের জন্য কিছু করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) সকালে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন শেষে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বরাম হাওর থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন। শিশির মনির বলেন, ‘বৃষ্টিপাতের কারণে হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে কৃষকদের হাজার হাজার হেক
সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, ‘সুনামগঞ্জের ভাটি অঞ্চলের সবকটি হাওরের একই অবস্থা। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে, সরকারকে মেগা প্রকল্পে হাত দিতে হবে। এই মেগা প্রকল্প কেবল দুই চার কোটি টাকার বিষয় নয়। প্রয়োজন হলে ৫শ ১ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প লাগবে।’
তিনি বলেন, এখানে খাল, বিল, নদী খনন করতে হবে। পানি থাকার ব্যবস্থা করতে হবে। পানি যেটা আসবে, সেটা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে। যথেষ্ট সুইচগেট করতে হবে। একটা হওর থেকে আরেকটা হাওর আলাদা করতে হবে। এবং আমি যেগুলো বলছি এগুলো আমার ইনস্ট্যান্ট বুদ্ধির কথা। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার ডাকলে, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এসমস্ত হাওর আছে। ধান চাষ প্রকল্প আছে, তাদেরকে ডেকে, বসে প্রকৃত সমাধান করতে পারেন, তবেই আমি মনে করবো কৃষকদের জন্য কিছু করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে) সকালে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন হাওর পরিদর্শন শেষে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বরাম হাওর থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
শিশির মনির বলেন, ‘বৃষ্টিপাতের কারণে হাওরাঞ্চলে তলিয়ে গেছে কৃষকদের হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি। কৃষক তাদের সোনালি ধান কাটতে পারেন নাই। যারা কেটেছেন তারাও পড়েছেন মহা বিপদে। আকাশে রোদ নেই, অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ধান জমিতেই পচে চারা গজিয়েছে। এখন কৃষক যাবে কই, খাবে কি?’
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এসব এলাকাকে প্রাথমিকভাবে কৃষি দুর্গত এলাকা ঘোষণার দাবি জানান শিশির মনির। তিনি বলেন, কৃষকের এই দুঃসময়ে সরকার এবং বিভিন্ন বেসরকারি এনজিও সংস্থার কৃষকদের পাশে এগিয়ে আসা উচিত। এছাড়াও সরকার ৩ মাসের জন্য কৃষকদের যে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তা ইমিডিয়েট পাঠানো দরকার।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রতি বছরই হাওরে জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটবে, গত চৈত্র মাসে আমরা দেখেছি হাওরে পানি নাই, হাওর এমনভাবে শুকিয়েছিল এসময় মানুষ জমিতে পানি দেবে কোথা থেকে খুঁজে পাচ্ছিল না এবং সেচের কোন ব্যবস্থাও ছিল না। আর এখন বৈশাখ মাসে হাওরের যেদিকে চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। আসলে এটা কোন নদীর পানি না, বন্যার পানিও না। এটা কেবলই বৃষ্টির পানি। এ পানি হাওরে জমা হয়, কোথাও যায় না, যেতে পারে না। যাওয়ার কোন রাস্তা নেই। প্রতি বছর হাওরে অপরিকল্পিত পিআইসি বাধ দিয়ে দিয়ে হাওর গুলোর এ অবস্থা করা হয়েছে।’
What's Your Reaction?