হাওরে পাখি শিকারের সময় আটক ৩
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পাখি শিকারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে তিন শিকারিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত প্রত্যেককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গুয়ার হাওরের রোয়ার বিল এলাকায় পাখি শিকারের সময় তাদের আটক করেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিবুর রহমান। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিকের দিকনির্দেশনায় অভিযানে টাঙ্গুয়ার হাওর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও রামসিংহপুর এবং গোলাবাড়ি আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের মন্দিয়াতা গ্রামের দলামিয়ার ছেলে হারুন মিয়া, একই গ্রামের কিচমত আলীর ছেলে কামুয় মিয়া এবং মইয়াজুরী গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে রফিক মিয়া। এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রামসার এলাকা। এখানে পাখি শিকার ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অ
সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পাখি শিকারের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে তিন শিকারিকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত প্রত্যেককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গুয়ার হাওরের রোয়ার বিল এলাকায় পাখি শিকারের সময় তাদের আটক করেন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিবুর রহমান। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিকের দিকনির্দেশনায় অভিযানে টাঙ্গুয়ার হাওর সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও রামসিংহপুর এবং গোলাবাড়ি আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের মন্দিয়াতা গ্রামের দলামিয়ার ছেলে হারুন মিয়া, একই গ্রামের কিচমত আলীর ছেলে কামুয় মিয়া এবং মইয়াজুরী গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে রফিক মিয়া।
এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান মানিক বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওর একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রামসার এলাকা। এখানে পাখি শিকার ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় টাঙ্গুয়ার হাওরকে পাখি ও মাছের নিরাপদ আবাসস্থল হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
What's Your Reaction?