হাতিয়ায় যৌথ অভিযানে ১,৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১,৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে জব্দ করা তেল হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার তমরদ্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব তেল জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ওই যুবকের নাম মো. মফিজ উদ্দিন ফারুক। তিনি উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের ইয়াহিয়া মাস্টারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে তমরদ্দি বাজারের উত্তর পাশে একটি মোটর পার্টসের দোকানে অভিযান চালায় পুলিশ ও নৌবাহিনী। এ সময় দোকান থেকে ৮টি ড্রামে রাখা প্রায় ১,৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে ফারুক ঘটনাস্থলে এসে তেলের মালিকানা দাবি করেন। তিনি জানান, জাহাজে ব্যবহারের জন্য এসব তেল সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং অনুমোদন ছাড়া বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুতের অভিযোগে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে আটক ফারুকের ভাই মেজবাহ উদ্দিন শামীম দাবি করেন, তাদের বাল্কহেডের জন্য তেল কেনা হয়েছি

হাতিয়ায় যৌথ অভিযানে ১,৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় পুলিশ ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১,৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে জব্দ করা তেল হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার তমরদ্দি বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব তেল জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ওই যুবকের নাম মো. মফিজ উদ্দিন ফারুক। তিনি উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের ইয়াহিয়া মাস্টারের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে তমরদ্দি বাজারের উত্তর পাশে একটি মোটর পার্টসের দোকানে অভিযান চালায় পুলিশ ও নৌবাহিনী। এ সময় দোকান থেকে ৮টি ড্রামে রাখা প্রায় ১,৬০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে ফারুক ঘটনাস্থলে এসে তেলের মালিকানা দাবি করেন। তিনি জানান, জাহাজে ব্যবহারের জন্য এসব তেল সংগ্রহ করা হয়েছিল।

তবে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং অনুমোদন ছাড়া বিপুল পরিমাণ জ্বালানি মজুতের অভিযোগে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে আটক ফারুকের ভাই মেজবাহ উদ্দিন শামীম দাবি করেন, তাদের বাল্কহেডের জন্য তেল কেনা হয়েছিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাদের কাছে রয়েছে। এটা আমাদের উপর এক ধরনের জুলুম করা হয়েছে। 

হাতিয়া থানার ওসি কবির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার ফারুকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow