হানি ট্র্যাপে ফেলে কিশোরকে অপহরণ, অতঃপর...

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকা থেকে অপহৃত এক কিশোরকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১। এ সময় অপহরণে জড়িত হানি ট্র্যাপ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে র‌্যাব-১১-এর সদর কোম্পানির একটি দল বন্দরের চরধলেশ্বরীর একটি ভুট্টা ক্ষেতে অভিযান চালিয়ে কিশোরকে উদ্ধার করে এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার পাঁচজন হলো- সালেহনগরের মো. আকাশ (২৪), বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার মো. সিয়াম (২২), নারায়ণগঞ্জ সদর সৈয়দপুরের মো. ফয়সাল (২৮), বাবুপাড়ার সঞ্জয় শীল (২০) ও সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলি এলাকার মো. বায়েজিদ (২৩)। র‍্যাব জানায়, ঘটনার সূত্রপাত প্রায় এক মাস আগে। ঢাকার আজিমপুরের ওই কিশোর স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। ‘টেন টেন’ ডেটিং অ্যাপে ‘ইনায়া শেখ’ নামের একটি আইডির সঙ্গে পরিচিত হয় সে। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে দেখা করার প্রলোভন দেখানো হয়। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় ভুক্তভোগী কিশোর বন্দর থানার চরধলেশ্বরী এলাকায় পৌঁছলে ৯-১০ জন তাকে জোর করে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে আটকে রাখে। মারধর করে এবং সব মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নেয

হানি ট্র্যাপে ফেলে কিশোরকে অপহরণ, অতঃপর...
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকা থেকে অপহৃত এক কিশোরকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১। এ সময় অপহরণে জড়িত হানি ট্র্যাপ চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে র‌্যাব-১১-এর সদর কোম্পানির একটি দল বন্দরের চরধলেশ্বরীর একটি ভুট্টা ক্ষেতে অভিযান চালিয়ে কিশোরকে উদ্ধার করে এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার পাঁচজন হলো- সালেহনগরের মো. আকাশ (২৪), বন্দর আমিন আবাসিক এলাকার মো. সিয়াম (২২), নারায়ণগঞ্জ সদর সৈয়দপুরের মো. ফয়সাল (২৮), বাবুপাড়ার সঞ্জয় শীল (২০) ও সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলি এলাকার মো. বায়েজিদ (২৩)। র‍্যাব জানায়, ঘটনার সূত্রপাত প্রায় এক মাস আগে। ঢাকার আজিমপুরের ওই কিশোর স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়ে। ‘টেন টেন’ ডেটিং অ্যাপে ‘ইনায়া শেখ’ নামের একটি আইডির সঙ্গে পরিচিত হয় সে। পরিচয়ের একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে দেখা করার প্রলোভন দেখানো হয়। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় ভুক্তভোগী কিশোর বন্দর থানার চরধলেশ্বরী এলাকায় পৌঁছলে ৯-১০ জন তাকে জোর করে ভুট্টা ক্ষেতে নিয়ে আটকে রাখে। মারধর করে এবং সব মূল্যবান জিনিসপত্র কেড়ে নেয়। এরপর তার ফোন থেকেই পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবার পরিস্থিতি সামলাতে বিকাশে সাড়ে ৪ হাজার টাকা পাঠায় এবং বন্দর থানায় মামলা করে। র‍্যাব-১১ এর সহকারী পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. রওনক এরফান খান বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করি এবং তাদের গ্রেপ্তার করি। আসামিদের পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow