হায়ারের নতুন এসি কিনে মিলছে না স্বস্তি, গ্রাহককে রিপ্লেসমেন্ট না দেয়ার অভিযোগ

হায়ার ব্র্যান্ডের নতুন এসি কিনেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার ভোক্তা জনাব হিরণ। তার দাবি, একাধিকবার মেরামতের পরও এসি ঠিকভাবে কাজ করছে না। বারবার অভিযোগ জানানো হলেও নতুন ইউনিট রিপ্লেসমেন্ট না দিয়ে শুধুমাত্র মেরামত করে দেয়া হচ্ছে। অভিযোগকারী হিরণ জানান, গত ৬ জুন তিনি হায়ার ব্র্যান্ডের একটি নতুন এয়ার কন্ডিশনার (এসি) কিনেছিলেন। তবে ইনস্টলেশনের দিন প্রথম তিন থেকে চার ঘণ্টা ঠিকমতো কাজ করলেও পরবর্তীতে এসিটি প্রত্যাশামতো ঠান্ডা করছিল না এবং আস্তে আস্তে গরম হাওয়া (বাতাস) দিচ্ছিল। বিষয়টি তিনি হায়ারের কাস্টমার কেয়ারে জানালে সার্ভিস সেন্টারের টেকনিশিয়ানরা এসে কয়েক দফা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। ভোক্তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে টেকনিশিয়ানরা এসির আউটডোর ইউনিট খুলে নিয়ে যান। পরে সেটি মেরামত করে পুনরায় লাগিয়ে দিলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এরপর আবার অভিযোগ জানালে তারা এসে আরও কিছু কাজ করে যান। কিন্তু এরপরও এসির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি। পরবর্তীতে তৃতীয়বার অভিযোগ করার পর টেকনিশিয়ানরা এসে জানান, এসির ইনডোর ইউনিটের সেন্সরে ত্রুটি র

হায়ারের নতুন এসি কিনে মিলছে না স্বস্তি, গ্রাহককে রিপ্লেসমেন্ট না দেয়ার অভিযোগ

হায়ার ব্র্যান্ডের নতুন এসি কিনেও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার ভোক্তা জনাব হিরণ। তার দাবি, একাধিকবার মেরামতের পরও এসি ঠিকভাবে কাজ করছে না। বারবার অভিযোগ জানানো হলেও নতুন ইউনিট রিপ্লেসমেন্ট না দিয়ে শুধুমাত্র মেরামত করে দেয়া হচ্ছে।

অভিযোগকারী হিরণ জানান, গত ৬ জুন তিনি হায়ার ব্র্যান্ডের একটি নতুন এয়ার কন্ডিশনার (এসি) কিনেছিলেন। তবে ইনস্টলেশনের দিন প্রথম তিন থেকে চার ঘণ্টা ঠিকমতো কাজ করলেও পরবর্তীতে এসিটি প্রত্যাশামতো ঠান্ডা করছিল না এবং আস্তে আস্তে গরম হাওয়া (বাতাস) দিচ্ছিল। বিষয়টি তিনি হায়ারের কাস্টমার কেয়ারে জানালে সার্ভিস সেন্টারের টেকনিশিয়ানরা এসে কয়েক দফা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।

ভোক্তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে টেকনিশিয়ানরা এসির আউটডোর ইউনিট খুলে নিয়ে যান। পরে সেটি মেরামত করে পুনরায় লাগিয়ে দিলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এরপর আবার অভিযোগ জানালে তারা এসে আরও কিছু কাজ করে যান। কিন্তু এরপরও এসির পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি।

পরবর্তীতে তৃতীয়বার অভিযোগ করার পর টেকনিশিয়ানরা এসে জানান, এসির ইনডোর ইউনিটের সেন্সরে ত্রুটি রয়েছে। পরে সেটিও পরিবর্তন করে কস্টেপ মেরে মেরামত করে দেয়া হয়।

তবে হিরণের অভিযোগ, একটি সম্পূর্ণ নতুন এসি কেনার পর বারবার মেরামত করা এবং কস্টেপ মোড়ানো পণ্য ব্যবহার করতে তিনি রাজি নন। তার ভাষায়, ‘যদি ঠিক করা এসিই চালাতে হয়, তাহলে নতুন এসি কেনার প্রয়োজন কী ছিল? পুরোনো এসিই কিনতে পারতাম।’

তিনি আরও দাবি করেন, শুরু থেকেই নতুন একটি এসি রিপ্লেসমেন্ট চেয়ে আসছেন তিনি। কিন্তু হায়ার কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, তাদের টেকনিশিয়ান যদি রিপ্লেসমেন্টের সুপারিশ করেন, তবেই নতুন ইউনিট দেয়া হবে। তবে টেকনিশিয়ানরা প্রতিবারই এসি মেরামত করে দিলেও রিপ্লেসমেন্টের বিষয়ে কোনো সুপারিশ করছেন না বলে অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় হায়ার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, বিএসটিআই-এর অনুমোদন পাওয়ার আগেই বাজারে এসি বিক্রির অভিযোগ রয়েছে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেডের বিরুদ্ধে। নথিপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সরকারি নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ‘ZenGlow’ মডেলের একটি এসি বাজারে ছাড়ে কোম্পানিটি।

হায়ার বাংলাদেশ কর্তৃক বাজারজাতকৃত ‘ZenGlow’ মডেলের এসিটির বাজারজাতকরণের সময়কাল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি গত ৩০ মার্চ ২০২৬ পণ্যটি বাংলাদেশের বাজারে উন্মুক্ত ও বাজারজাত করেছে। অথচ সংশ্লিষ্ট মডেলটির বিএসটিআই-এর অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হয়েছে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে। অর্থাৎ, বিএসটিআই-এর নির্ধারিত অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা তো দূরের কথা, অনুমোদনের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করারও প্রায় তিন মাস পূর্বেই পণ্যটি বাজারে ছাড়া হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow