হালান্ডকে পাস না দেওয়ায় হত্যার হুমকি পেলেন সরলথ
২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নরওয়ের হয়ে একটি মুহূর্তই যেন সবকিছু বদলে দেয়। জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয় নরওয়েকে। আর সেই ম্যাচের একটি সিদ্ধান্তের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর হুমকি পর্যন্ত পেতে হয়েছে স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার সরলথকে। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে নিজেদের অর্ধ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে নরওয়ে। সামনে ছিলেন শুধু সরলথ, আরলিং হালান্ড এবং ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জন স্টোনস। টু ইন ওয়ান পরিস্থিতিতে হালান্ডকে সহজেই বল বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল সরলথের। কিন্তু তিনি পাস না দিয়ে নিজেই শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শেষ পর্যন্ত স্টোনস সেই শট আটকে দেন। সুযোগটি কাজে লাগাতে পারলে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত। এর কয়েক মিনিট পরই সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। অতিরিক্ত সময়ে জুড বেলিংহ্যামের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে উঠে যায় থ্রি লায়ন্স। ম্যাচ শেষে নিজের হতাশা লুকাননি সরলথ। তিনি বলেন, ‘খুব কঠিন লাগছে। কিছু সিদ্ধান্ত আমি আরও ভালোভাবে নিতে পারতাম। তবে জানি, ভবিষ্যতে আরও
২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে নরওয়ের হয়ে একটি মুহূর্তই যেন সবকিছু বদলে দেয়। জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয় নরওয়েকে। আর সেই ম্যাচের একটি সিদ্ধান্তের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর হুমকি পর্যন্ত পেতে হয়েছে স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার সরলথকে।
ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ এক পর্যায়ে নিজেদের অর্ধ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে নরওয়ে। সামনে ছিলেন শুধু সরলথ, আরলিং হালান্ড এবং ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জন স্টোনস। টু ইন ওয়ান পরিস্থিতিতে হালান্ডকে সহজেই বল বাড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ ছিল সরলথের।
কিন্তু তিনি পাস না দিয়ে নিজেই শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শেষ পর্যন্ত স্টোনস সেই শট আটকে দেন। সুযোগটি কাজে লাগাতে পারলে নরওয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত।
এর কয়েক মিনিট পরই সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। অতিরিক্ত সময়ে জুড বেলিংহ্যামের গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে উঠে যায় থ্রি লায়ন্স।
ম্যাচ শেষে নিজের হতাশা লুকাননি সরলথ। তিনি বলেন, ‘খুব কঠিন লাগছে। কিছু সিদ্ধান্ত আমি আরও ভালোভাবে নিতে পারতাম। তবে জানি, ভবিষ্যতে আরও সুযোগ আসবে। অবশ্যই এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন কিছু ঘটলে সেটা মেনে নেওয়া কঠিন।’
ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরলথকে লক্ষ্য করে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। একপর্যায়ে বিষয়টি মৃত্যুর হুমকি পর্যন্ত গড়ায়। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন সরলথের সঙ্গী লেনা সেলনাস।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ আর ফুটবল যেমন অনেক আনন্দ নিয়ে আসে, তেমনি অনেক ঘৃণাও নিয়ে আসে। আমি শুরুতে এসব উপেক্ষা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এমন মন্তব্য দেখার পর আর চুপ থাকা সম্ভব হয়নি।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরলথকে উদ্দেশ্য করে ‘তুমি মারা যাবে’ কিংবা আত্মহত্যার আহ্বান জানিয়ে একাধিক বার্তা পোস্ট করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। নরওয়ের কোচ স্তোলে সোলবাক্কেনও এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সোলবাক্কেন বলেন, ‘এ কারণেই আমি ছেলেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিই। বিশেষ করে এমন পরিস্থিতির পর খেলোয়াড়দের জন্য এটি খুবই কঠিন হয়ে ওঠে।’
বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে একটি সিদ্ধান্ত বা একটি মিস করা সুযোগ কখনো কখনো একজন ফুটবলারের ওপর কতটা মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে, সরলথের ঘটনা তারই আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকলো।
আরআর/এমএমআর
What's Your Reaction?