হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ, সেই নারী পুলিশ হেফাজতে

বগুড়া শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে বিপুল চন্দ্র পাল নামের সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। নিহতের সঙ্গে থাকা এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) বিকেলে ওই নারীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। এর আগে শনিবার দুপুরে শহরের চারমাথা এলাকায় অবস্থিত সেঞ্চুরি হোটেলের ৬১০ নম্বর কক্ষ থেকে ওই সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ঘুমের ওষুধ, কোমলপানীয় ও পানির বোতল জব্দ করেছে পুলিশ। নিহত বিপুল চন্দ্র পাল (৪৮) বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দুবারের নির্বাচিত সদস্য (মেম্বার) ছিলেন। তিনি এরুলিয়া পালপাড়া এলাকার মৃত জিতেন্দ্র নাথ পালের ছেলে। পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরি হোটেলে আসেন বিপুল চন্দ্র পাল। পরে তিনি একটি কক্ষ ভাড়া নেন। শনিবার দুপুরে নির্ধারিত চেকআউটের সময় পেরিয়ে গেলেও কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এতে হোটেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি ও সদর থানা পুলিশের দুটি দল

হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ, সেই নারী পুলিশ হেফাজতে

বগুড়া শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে বিপুল চন্দ্র পাল নামের সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজে নতুন তথ্য উঠে এসেছে। নিহতের সঙ্গে থাকা এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

রোববার (৭ জুন) বিকেলে ওই নারীকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। এর আগে শনিবার দুপুরে শহরের চারমাথা এলাকায় অবস্থিত সেঞ্চুরি হোটেলের ৬১০ নম্বর কক্ষ থেকে ওই সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি থেকে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট, ঘুমের ওষুধ, কোমলপানীয় ও পানির বোতল জব্দ করেছে পুলিশ।

নিহত বিপুল চন্দ্র পাল (৪৮) বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের দুবারের নির্বাচিত সদস্য (মেম্বার) ছিলেন। তিনি এরুলিয়া পালপাড়া এলাকার মৃত জিতেন্দ্র নাথ পালের ছেলে।

পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরি হোটেলে আসেন বিপুল চন্দ্র পাল। পরে তিনি একটি কক্ষ ভাড়া নেন। শনিবার দুপুরে নির্ধারিত চেকআউটের সময় পেরিয়ে গেলেও কক্ষের ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এতে হোটেল কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ি ও সদর থানা পুলিশের দুটি দল ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও স্বজনদের উপস্থিতিতে বিকল্প চাবি দিয়ে কক্ষ খুলে বিছানায় অচেতন অবস্থায় বিপুল চন্দ্র পালকে পাওয়া যায়। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

এদিকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। ফুটেজে দেখা গেছে, বিপুল চন্দ্র পালের সঙ্গে এক নারী হোটেলে প্রবেশ করেছিলেন। তবে মরদেহ উদ্ধারের আগেই ওই নারী হোটেল ত্যাগ করেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চৌপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোছা. মুর্শেদা নামে ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী লিপি রানী পাল দাবি করে বলেন, আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সারিয়াকান্দির রক্সি নামে এক ব্যক্তি আমার স্বামীকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তিনি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

নিহতের মেয়ে অভিযোগ করে বলেন, হোটেল কক্ষ থেকে যৌন উত্তেজক ওষুধ উদ্ধারের যে দাবি করা হচ্ছে, তা সত্য নয়। হত্যাকাণ্ড আড়াল করতেই এসব তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে তাদের সন্দেহ।

এদিকে সেঞ্চুরি মোটেলের এক কর্মচারী এনামুল হক বলেন, রাত্রিযাপনের জন্য কক্ষটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। পরদিন দুপুরে কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী বলেন, ঘটনার সময় কক্ষে উপস্থিত থাকা এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow