হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যদের থামানোর কেউ নেই!

এবারের ফুটবল মৌসুমে রীতিমতো উড়ছে বার্সেলোনা। বিশেষ করে হ্যান্সি ফ্লিক কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। নতুন বছরের শুরুতে শিরোপা-উদযাপনও করেছে ইয়ামাল-রাফিনহা-লেভানডভস্কিরা। গত সপ্তাহে চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ট্রফি জয়ের নজীর গড়ে কাতালান ক্লাবটি। সেই ট্রফি উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতে বৃহস্পতিবার আবারও মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা। কোপা দেল রে’র শেষ ষোলোর ম্যাচেও এদিন জয় পায় হ্যান্সি ফ্লিকের দল। ফেরান তোরেস ও লামিন ইয়ামালের গোলের সৌজন্যে এদিন তারা ২-০ গোলে পরাজিত করে রেসিং সান্তান্দেরকে। সেইঙ্গে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।  এই জয়ের ফলে সব ধরণের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল।  ২০১৫ সালের পর যা বার্সেলোনার সেরা সাফল্য। শুধু তাই নয়? নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে এটা তাদের দ্বিতীয় সেরা টানা ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। এর আগেও চারবার টানা ১১ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েছিল বার্সা। সর্বশেষ ২০১৪-১৫ মৌসুমে লুইস এনরিকের অধীনে, ২০০৮-০৯ মৌসুমে পেপ গার্দিওলার

হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যদের থামানোর কেউ নেই!

এবারের ফুটবল মৌসুমে রীতিমতো উড়ছে বার্সেলোনা। বিশেষ করে হ্যান্সি ফ্লিক কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যেন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা। নতুন বছরের শুরুতে শিরোপা-উদযাপনও করেছে ইয়ামাল-রাফিনহা-লেভানডভস্কিরা। গত সপ্তাহে চির প্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে স্প্যানিশ সুপার কাপের ট্রফি জয়ের নজীর গড়ে কাতালান ক্লাবটি। সেই ট্রফি উদযাপনের রেশ কাটতে না কাটতে বৃহস্পতিবার আবারও মাঠে নেমেছিল বার্সেলোনা।

কোপা দেল রে’র শেষ ষোলোর ম্যাচেও এদিন জয় পায় হ্যান্সি ফ্লিকের দল। ফেরান তোরেস ও লামিন ইয়ামালের গোলের সৌজন্যে এদিন তারা ২-০ গোলে পরাজিত করে রেসিং সান্তান্দেরকে। সেইঙ্গে টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।  এই জয়ের ফলে সব ধরণের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ১১ ম্যাচ জয়ের স্বাদ পেয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল। 

২০১৫ সালের পর যা বার্সেলোনার সেরা সাফল্য। শুধু তাই নয়? নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে এটা তাদের দ্বিতীয় সেরা টানা ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। এর আগেও চারবার টানা ১১ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েছিল বার্সা। সর্বশেষ ২০১৪-১৫ মৌসুমে লুইস এনরিকের অধীনে, ২০০৮-০৯ মৌসুমে পেপ গার্দিওলার সময়ে এবং ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে ফ্রানৎস প্লাটকোর কোচিংয়ে এবং ১৯২৫ থেকে ১৯২৭ সালের মধ্যে রালফ কিরবি, রিচার্ড ডম্বি ও রোমা ফর্নসের তত্ত্বাবধানে এই রেকর্ড গড়েছিল তারা।

সেই কীর্তিতে এবার নাম লেখালেন হ্যান্সি ফ্লিক। সংখ্যাটাকে এখন আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে কাতালান ক্লাবটির। তবে ক্লাবের ইতিহাসে টানা জয়ের রেকর্ড থেকে এখনো কিছুটা দূরে আছে বার্সা। সেই রেকর্ড ছুঁতে আরও সাত ম্যাচ জিততে হবে রাফিনহা-ইয়ামালদের। ২০০৫-০৬ মৌসুমে তৎকালীন কোচ ফ্রাংক রাইকার্ডের অধীন সব ধরণের প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে টানা ১৮ ম্যাচ জিতেছিল বার্সা। হ্যান্সি ফ্লিক যেভাবে ছুটছেন তাতে এই কীর্তিতে ভাগ বসানোটাকেও অসম্ভব দেখছেন না ফুটবল বিশ্লেষকরা। তবে বিষয়টাকে সহজও মনে করছেন না ফুটবলবোদ্ধাদের কেউ কেউ।

তবে ক্লাব ইতিহাসের দ্বিতীয় দীর্ঘতম জয় কিংবা নতুন রেকর্ড-টেকর্ডে যেন খুব মনোযোগ নেই হ্যান্সি ফ্লিকের। বার্সা কোচ বরং জয় নিয়েই তৃপ্ত।  ম্যাচের শেষে জার্মান কোচ বলেন, ‘এটা কিছুই না। আমি পরিসংখ্যান নিয়ে চিন্তিত নই। আজ আমরা জিতলাম, তাতেই খুশি। আমরা এখন পরের রাউন্ডে, এটাই আমরা চেয়েছিলাম।’ 
গত বছরের নভেম্বরে চেলসির কাছে সর্বশেষ কোন ম্যাচে হেরেছিল বার্সেলোনা। এরপর থেকেই দারুণ ছন্দে রয়েছে তার দল। 

সান্তাদেরকে হারানোর পর শিষ্যদের প্রশংসা করেছেন ফ্লিক। বিশেষ করে হোয়ানের নাম ধরেই প্রশংসায় মাতেন তিনি, ‘১-১ হওয়ার একটি বড় সুযোগ তারা পেয়েছিল, হোয়ান দুর্দান্তভাবে তা রুখে দিয়েছে। রেসিংয়ের জন্য এটি ছিল গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় ম্যাচ। এই ধরনের ম্যাচ কেউ নামের কারণে নয়, মানসিকতার কারণে জেতে। আমরা গুরুত্বের সাথে এবং সঠিক মনোভাব নিয়ে খেলেছি। রেসিং খুব ভালো দল, আশা করি আগামী মৌসুমে তাদের লা লিগায় দেখা যাবে।’

ইতোমধ্যেই স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা ঘরে তুলা বার্সার সামনে এখন কোপা দেল’রের ট্রফি জয়েরও সুযোগও রয়েছে। সেইসঙ্গে স্প্যানিশ লা লিগার পয়েন্ট টেবিলেও শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। ১৯ ম্যাচ থেকে ১৬ জয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে অবস্থান করছে কাতালান ক্লাবটি। যেখানে সমানসংখ্যক ম্যাচ থেকে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে দুেই নম্বরে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদ। ৪১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে রয়েছে এক ম্যাচ কম খেলা ভিয়ারিয়াল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow