‘হ্যালো ডিসি’র আবেদনে সাড়া, দোহারের ১৪ নারী পেলেন সেলাই মেশিন
সরকারি সেবা আরও সহজলভ্য করতে চালু হওয়া ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মে আবেদন করে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ঢাকার দোহার উপজেলার ১৪ জন অসহায় ও দরিদ্র নারী। যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত এসব নারীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন, যেন তারা আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে পরিবারের আয় বাড়াতে পারেন। রোববার (২ আগস্ট) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। আরও পড়ুন চালু হলো ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপ, এক ক্লিকেই মিলবে জেলা প্রশাসনের সেবা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মে আবেদন জমা পড়ার পর উপজেলা প্রশাসন আবেদনকারীদের আর্থসামাজিক অবস্থা সরেজমিনে যাচাই করে। যাচাই শেষে প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র ১৪ জন নারীকে এই সহায়তার জন্য নির্বাচন করা হয়। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও ফলপ্রসূ করতে জেলা প্রশাসন শুধু অনুদান দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। ‘হ্যালো ডিসি’র মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছ
সরকারি সেবা আরও সহজলভ্য করতে চালু হওয়া ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মে আবেদন করে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ঢাকার দোহার উপজেলার ১৪ জন অসহায় ও দরিদ্র নারী।
যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত এসব নারীর হাতে সেলাই মেশিন তুলে দিয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসন, যেন তারা আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে পরিবারের আয় বাড়াতে পারেন।
রোববার (২ আগস্ট) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মে আবেদন জমা পড়ার পর উপজেলা প্রশাসন আবেদনকারীদের আর্থসামাজিক অবস্থা সরেজমিনে যাচাই করে। যাচাই শেষে প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র ১৪ জন নারীকে এই সহায়তার জন্য নির্বাচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও ফলপ্রসূ করতে জেলা প্রশাসন শুধু অনুদান দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। ‘হ্যালো ডিসি’র মাধ্যমে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বিতরণ করা সেলাই মেশিন কাজে লাগিয়ে উপকারভোগীরা নিজেদের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। এর মাধ্যমে তারা ধীরে ধীরে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকৃত অসহায় মানুষের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।
এমডিএএ/ইএ
What's Your Reaction?

